গত মরশুমে প্রিমিয়ার লিগ জিতেছিল আর্সেনাল। অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়েছিল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। নতুন মরশুমের শুরুতেই সেই হতাশা কাটিয়ে সাফল্য এল মিকেল আর্তেতার দলের। রবিবার রাতে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কমিউনিটি শিল্ড (FA Community Shield) চ্যাম্পিয়ন হল গানার্সরা।
শুরুতেই সিটির ঘাড়ে চেপে বসে আর্সেনাল। খেলা শুরুর মাত্র ২৩ সেকেন্ডে গোল রিকার্দো কালাফিওরির। মিলেস লিউয়িস-স্কেলির পাস থেকে বাঁ-পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। কমিউনিটি শিল্ডের ইতিহাসে এটাই দ্রুততম গোল। সিটি তখনও সামলে উঠতে পারেনি। ২৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান কাই হ্যাভার্ৎজ। ওডেগার্ড এবং অভিষেক হওয়া ক্রিস্তোস জোলিসের তৈরি করা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করেন জার্মান ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ কার্যত নিজেদের পকেটে পুরে নেয় আর্সেনাল। ৪৮ মিনিটে গোল করেন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। জ্যাক গ্রিলিশ-সহ একাধিক পরিবর্তন করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল সিটি। পরে নামানো হয় ওমর মারমুশ এবং রায়ান শেরকিকেও। কিন্তু আর্সেনালের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা।
দুই দলেই ছিল তারকার মেলা। সিটির হয়ে শুরু থেকেই খেলেন আর্লিং হালান্ড, জেরেমি দোকু, অ্যান্টোয়ান সেমেনিয়ো এবং ফিল ফোডেন। আর্সেনালের একাদশে ছিলেন নতুন ব্রাজিলিয়ান তারকা ব্রুনো গিমারায়েস। নজর কাড়েন লিউয়িস-স্কেলি এবং জোলিসও। আর্সেনালের তিন গোলের মধ্যে দু'টির নেপথ্যে ছিলেন গ্রিক উইঙ্গার। পেপ গুয়ার্দিওলা-পরবর্তী যুগে এনজো মারেস্কার প্রথম বড় পরীক্ষার শুরুতেই পিছলে পড়তে হল। আর আর্সেনাল? প্রিমিয়ার লিগের খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নামার আগেই বুঝিয়ে দিল, তারা তৈরি।
