ডার্বির চব্বিশ ঘণ্টা আগে শহরে পা রেখেছিলেন আলবার্তো রডরিগেজ। সেই সময় মাত্র দিন তিনেক অনুশীলন করেছিলেন দেজন দ্রাজিচও। তাই ডার্বিতে এই দুই বিদেশিকে প্রথম একাদশে রাখেননি মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিস। ডার্বির পর বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। এই কদিন দলের সঙ্গে চুটিয়ে অনুশীলন করে নিজেদের মানিয়েও নিয়েছেন এই দুই বিদেশি। স্বাভাবিকভাবেই মঙ্গলবার ডুরান্ডের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে ধরেই দল সাজাচ্ছেন দিলেম্পেরিস।
আলবার্তোরা থাকলেও চোটের জন্য এই ম্যাচে অনিশ্চিত আপুইয়া। পরপর দুদিন তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারেননি। ডার্বি জয় হয়ে যাওয়ার পর গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে স্কোয়াডের সব ফুটবলারকে দেখে নিতে চাইছেন মোহনবাগান কোচ। আপাতত এক মাসেরও কম অনুশীলন হওয়ায় খুব একটা প্রস্তুতির সময় পাননি তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোই এখন তাঁর কাছে দল গুছিয়ে নেওয়ার জন্য বড় সুযোগ। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা না থাকলেও এই ম্যাচ নিয়ে যথেষ্টই আত্মবিশ্বাসী তিনি। বলছেন, "প্রয়োজন অনুসারে এই ম্যাচে বেশ কিছু ফুটবলারকে পরিবর্তন করা হবে। গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচগুলোতে আমি দলের সব ফুটবলারকে দেখে নিতে চাই। আলবার্তো আর দ্রাজিচকে রেখেই দল গড়ব। তবে ডার্বির সঙ্গে এই ম্যাচ তুলনা চলবে না।"
সাউথ ইউনাইটেড গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে সিআইএসএফকে। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও সাউথ ইউনাইটেডকে হালকা ভাবে নিতে নারাজ প্যানাজিওটিস। আরও যোগ করেন, “এই ম্যাচ আমাদের জিততেই হবে। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে আমরা দলটাকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। যে স্টাইলে আমি দল পরিচালনা করতে চাইছি, তার সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পেরেছে ফুটবলাররা সেটা দেখতে পাব এই ম্যাচে। দ্বিতীয় বিষয় ফুটবলারদের মানসিকতা কতটা তৈরি হয়েছে। অচেনা হলেও প্রতিপক্ষকে শ্রদ্ধা করছি। তবে মোহনবাগান সবসময় আত্মবিশ্বাসী থাকে।"
ডার্বি হারলেও গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে সিআইএসএফের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার বড় ব্যবধানে জয় চাইবে মোহনবাগানও। তবে কোচ সেদিকে নজর দিতে চান না। ডার্বি খেলার পর দল গুছিয়ে নেওয়ার জন্য বেশ কয়েকদিন হাতে সময় পেয়েছেন সবুজ-মেরুন কোচ। তবে দ্রাজিচ আর আলবার্তোর সংযোজন ডার্বির থেকে এই ম্যাচে দলের শক্তি বাড়াচ্ছে। আপুইয়া না থাকলেও সাহালরা যে ফর্মে রয়েছেন, তাতে সমস্যা হওয়ার কথা নয় মোহনবাগানের।
