shono
Advertisement
Jamshedpur FC

আইএসএল থেকে নাম তোলায় অথৈ জলে জামশেদপুর ফুটবলাররা, কী বলছেন টাটা অ্যাকাডেমির ৩ প্রাক্তনী?

জামশেদপুরের এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন দলের কোচ, সাপোর্টিং স্টাফ এবং ফুটবলাররা। হঠাৎ করে ক্লাব বন্ধ হয়ে গেলে, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে? কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলার দীপক মণ্ডল, সুব্রত পাল, রহিম নবি?
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 05:43 PM Aug 10, 2026Updated: 07:08 PM Aug 10, 2026

জুনিয়র ফুটবলের উন্নয়নে টাটা গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই খরচ করে চলেছে। কিন্তু ‘টাটা’-র মতো সংস্থা ভারতীয় ফুটবল থেকে বিদায় নিলে তা যে কতটা ক্ষতি, সেটা জামশেদপুর এফসির ফুটবলাররা যেরকম বুঝতে পারছেন। সেরকম দেশের আপামর ফুটবল অনুরাগীর পাশাপাশি বুঝতে পারছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেই কারণেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ থেকে জামশেদপুর এফসির দল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছে এআইএফএফ। এবার টাটা কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন ইস্পাত নগরীর ফুটবলপ্রেমীরা। সাকচিতে টাটা স্টিলের কর্পোরেট কমিউনিকেশনস দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, 'জামশেদপুর এফসি বাঁচান, ভারতীয় ফুটবল বাঁচান'। এই পরিস্থিতিতে 'সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল'কে কী বললেন টাটা অ্যাকাডেমির তিন প্রাক্তনী দীপক মণ্ডল, সুব্রত পাল, রহিম নবির মতো দেশের প্রাক্তন তারকা তারকারা?

Advertisement

জামশেদপুর দল। ফাইল ছবি।

একটা সময় ভারতীয় রক্ষণের অন্যতম নির্ভরতা ছিলেন দীপক মণ্ডল। দেশের হয়ে ৪৭ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানেও দাপিয়ে খেলেছেন। ২০১০ সালে পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার। আর এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে টাটার জন্যই। প্রাক্তন সেন্টার-ব্যাক দীপক বলেন, "আমি আজ যে জায়গায় আছি, তার সমস্ত কৃতিত্ব টাটার।" কথায় কথায় জানালেন, তাঁর জন্ম ঝাড়খণ্ডের নোয়ামুন্ডিতে। সেখানকার আয়রন মাইনসে চাকরি করতেন তাঁর বাবা। সেই সূত্রেই টিএফএ-তে আসা দীপকের। তাঁর কথায়, "কেবল আমি নই, অনেক ফুটবলারই আছে, যারা টিএফএর হাত ধরে নিজের উন্নতি করেছে। টাটা আমার রক্তে। টিএফএ না থাকলে এত দূর এগোতাম না। এখান থেকে অনেকে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু প্রথম অর্জুন পেয়েছিলাম আমি। আমার পর পেয়েছিল সুব্রত পাল।" উল্লেখ্য, তাঁর বয়স যখন ১৬ বছর, প্রতিভা নজরে পড়ে টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির প্রাক্তন কোচ রঞ্জন চৌধুরীর। এরপর তিনি টিএফএ-তে যোগ দেন। ১৯৯৮ সালে টিএফএ-র প্রথম ব্যাচের অন্যতম কৃতি ছাত্র হিসাবে স্নাতক হন। তাঁর বাবা নারায়ণ মণ্ডলও টাটা স্টিলের হয়ে ফুটবল খেলতেন। এই অ্যাকাডেমি থেকেই তাঁর পেশাদার ফুটবল জীবন শুরু হয়।

প্রাক্তন সেন্টার-ব্যাক দীপক মণ্ডল বলেন, "আমি আজ যে জায়গায় আছি, তার সমস্ত কৃতিত্ব টাটার।"

জামশেদপুর এফসি দল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, “আইএসএলের নতুন মরশুম শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। এই সময় দল তুলে নিলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন ফুটবলাররা। কারণ তাঁরা আইএসএলে খেলার আশায় ছিলেন। শুনেছি, ফুটবলাররাও জামশেদপুর এফসিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছেন। তাই ফুটবলারদের স্বার্থে এবং ভারতীয় ফুটবলের কথা ভেবে জামশেদপুর এফসির উচিত সিদ্ধান্তটা আবার পর্যালোচনা করা।” তিনি আরও বলেন, “শুধু ফুটবলারদের কথা ভাবলেই হবে না, জামশেদপুরের সমর্থকদের কথাও ভাবতে হবে। জামশেদপুর এফসি আসার পর শহরের ফুটবল সংস্কৃতিই বদলে গিয়েছিল। আগে জামশেদপুরকে মূলত টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির জন্য চেনা হত। কিন্তু জামশেদপুর এফসি আসার পর বহু মানুষ মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে শুরু করেন। শুনেছি, টাটা কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন জামশেদপুরের ফুটবলপ্রেমীরা।” তাঁর কথায়, “জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ফুটবলারদের পাশাপাশি সমর্থকদেরও একটা গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তাই জামশেদপুর আইএসএলে খেললে ভারতীয় ফুটবল, ফুটবলার এবং সমর্থক– সব দিক থেকেই ভালো হবে। সমর্থকেরাও নিজেদের দলের পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের মতো দলের তারকা ফুটবলারদের খেলা সামনে থেকে দেখার সুযোগ পাবেন।" 

টাটা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন ইস্পাত নগরীর ফুটবলপ্রেমীরা। ছবি সংগৃহীত।

ওখানকার সমর্থকরা বলছেন, "জামশেদপুর আমাদের গর্ব। স্বপ্নের প্রতীক। আগে বাচ্চারা ব্রাজিল বা ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি পরত। এখন নিজের শহরের ক্লাবের জার্সি পরে। জামশেদপুর এফসি শুধু ক্লাব নয়, আমাদের শহরের পরিচয়ের অংশও।" টাটার অন্যতম শক্তির জায়গা হল তৃণমূল স্তরে ফুটবলার তৈরি করা। সেই ঐতিহ্যেই ফিরতে চায় তারা। তবে দল তুলে নেওয়াটা যে কেবল আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, তা সহজেই অনুমেয়। টাটা কর্তৃপক্ষ তাদের বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের জন্য আর কোনও টাকা খরচ করবে না। কারণ, ভারতীয় ফুটবলে যে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে টাটা, তার বিনিময়ে কোনও আর্থিক লাভ বা রিটার্ন পাচ্ছে না সংস্থা। এই কারণেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ থেকে জামশেদপুর এফসিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা। বরং এবার তারা সেই জায়গায় ফিরছে, যেখানে কয়েক দশক ধরে ভারতীয় ফুটবলে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে টাটা স্টিল। শুধু ফুটবল নয়, হকি, তিরন্দাজি, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স-সহ ১৯টি খেলায় কাজ করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে প্রাক্তন 'ব্লু টাইগার্স' অধিনায়কের মন্তব্য, "আমি তো ওখানকারই ছেলে। আমি জানি, ওখানে এত বড় পরিসরে কখনও লিগ হত না। লোকাল লিগগুলোই ওখানে হত। যেখানে আমিও খেলেছি ১৯৯৪-৯৫ সালে, জামশেদপুর লিগে। কিন্তু আইএসএলে জামশেদপুর এফসি আসার পরে ওখানকার ফুটবলের ছবিটাই বদলে যায়। তাই জিএফসি বন্ধ হলে এই জিনিসগুলোরও প্রভাব পড়বে।"

দীপকের কথায়, “জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ফুটবলারদের পাশাপাশি সমর্থকদেরও একটা গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।" 

দীপকের সুরেই সুর মিলিয়েছেন টিএফএ-র আরেক প্রাক্তনী সুব্রত পাল। তাঁর কথায়, "খুবই নিরাশ। প্রথম থেকেই জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এই দলের হয়ে আইএসএলেও খেলেছি। আমার উঠে আসা টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকেই। ফুটবলজীবনে যা কিছু পেয়েছি, তা টিএফএ-র জন্য। এই অ্যাকাডেমি না থাকলে হয়তো এত দূর আসতে পারতাম না।" টিএফএ-র সঙ্গে জড়িয়ে থাকা তরুণ ফুটবলারদের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরেছেন সুব্রত। তিনি বলেন, "বহু বাচ্চার স্বপ্ন থাকে টিএফএ-তে যাওয়ার। সেখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে জামশেদপুর এফসি-র হয়ে খেলার। এমন অ্যাকাডেমি দ্বিতীয়টি নেই। তাই আমার মনে হয়, এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত।" সুব্রতর কথা যে কতটা সত্য, তা বোঝা গেল টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা নিখিল বার্লার কথায়। এক প্রথম শ্রেণির সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, "টিএফএ থেকে জামশেদপুর এফসি-র সিনিয়র দলে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। নিজের শহরের ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরটা খুবই খারাপ লাগছে।"

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁর হাতে নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন সুব্রত। তাঁর আবেদন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি নতুন করে ভাবেন। "আমি তো শেষ কথা বলতে পারব না। কেবল আর্জি করতে পারি। এআইএফএফ সভাপতিও তাঁদের কাছে এই অনুরোধ করেছেন। আমারও একই অনুরোধ," বলেছেন তিনি। জামশেদপুরের সঙ্গে তাঁর আবেগের সম্পর্কের কথাও উঠে এসেছে সুব্রতের মন্তব্যে। তাঁর কথায়, "জামশেদপুর আমার দ্বিতীয় বাড়ি। সেই শহরে আমার কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। টিএফএ-র মাঠ, প্রত্যেকটা ঘর আমার কাছে খুব আপন। এতটাই কষ্ট হচ্ছে যে, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আবারও অনুরোধ করব, জামশেদপুরকে নাম না তুলে নেওয়া হোক।" ২০০০ সালে টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন সুব্রত। সেখানেই ফুটবলের প্রাথমিক পাঠ নিয়ে শুরু হয় তাঁর পেশাদার ফুটবলজীবন। পরবর্তী সময়ে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসি-সহ একাধিক ক্লাবে খেলেছেন তিনি। ভারতের হয়ে ৮৪টি ম্যাচ খেলা সুব্রত ডেনমার্কের এফসি ভেস্তজিল্যান্ডের হয়ে খেলেও নজির গড়েছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় গোলরক্ষক, যিনি বিদেশের কোনও ক্লাবে পেশাদার ফুটবল খেলেন। জামশেদপুর এফসি-র ভবিষ্যৎ নিয়ে তাই সুব্রতের উদ্বেগ শুধু একজন প্রাক্তন ফুটবলারের নয়, তাঁর নিজের ফুটবলজীবনের শিকড়ের সঙ্গেও গভীর ভাবে জড়িয়ে।

প্রাক্তন গোলকিপার সুব্রত পাল বলেন, "জামশেদপুর আমার দ্বিতীয় বাড়ি। সেই শহরে আমার কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। টিএফএ-র মাঠ, প্রত্যেকটা ঘর আমার কাছে খুব আপন। এতটাই কষ্ট হচ্ছে যে, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।"

টিএফএ থেকে উঠে আসা প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবি বলেন, "এটা ফুটবলের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন নয়। টিএফএ ছিল ফুটবলারদের খনি। এখান থেকে বহু ফুটবলার উঠে এসেছে। লক্ষ্য করে দেখবেন, ওখানে খেলা হলে কিন্তু মাঠ ভর্তি থাকে। এটা কিন্তু খুবই ভালো লক্ষণ। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি একটা অন্য জায়গা। আর আইএসএল আলাদা। সেখানে জামশেদপুর এফসি খেলছে। এই দলে সমস্ত রাজ্যের ছেলেরা এসে খেলছে। বিদেশিরা খেলছে। ফুটবলটা ভালো উন্নতি হচ্ছিল। তাই দল তুলে নিলে প্লেয়ারদের তো ক্ষতি হবেই, সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফ, নন-ফুটবল কর্মীদেরও ক্ষতি হবে। এমন ভাবে যদি একের পর এক ক্লাব বন্ধ হয়ে যেতে থাকে, তাহলে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ সংকটের মধ্যে পড়বে। ফুটবলকে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের আরও বেশি করে ভাবা উচিত।"

নবি বলেন, "এমন ভাবে যদি একের পর এক ক্লাব বন্ধ হয়ে যেতে থাকে, তাহলে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ সংকটের মধ্যে পড়বে। ফুটবলকে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের আরও বেশি করে ভাবা উচিত।"

৩ অক্টোবর যুবভারতীতে খেলতে নামবে ভারত এবং ব্রাজিল। মেগা এই ম্যাচ নিয়ে নবির সংযোজন, "কলকাতায় ব্রাজিল খেলবে ভালো কথা। তরুণ প্রজন্ম এতে অনুপ্রাণিত হবে। কিন্তু আমাদের ক্লাবগুলো যে বন্ধ হচ্ছে, তাদের কী হবে? মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড নেই, ওড়িশা এফসি নেই, জামশেদপুর এফসি-ও সেই দলে। ব্রাজিলকে আনতে তো অনেক কোটি টাকা খরচ। এই টাকায় যদি আরও দশটা ক্লাবকে বাঁচানো যেত, তাহলে হয়তো বেশি ভালো হত। ফুটবল বাঁচুক, সেটাই চাই।"

জামশেদপুরের জার্সি পরে প্রতিবাদে শামিল খুদেরাও। ছবি সংগৃহীত।

উল্লেখ্য, রহিম নবি ২০০১-২০০২ সালে টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির পঞ্চম ব্যাচের একজন প্রশিক্ষণার্থী হিসাবে যুক্ত ছিলেন। কলকাতার প্রধান তিন প্রধান মহামেডান স্পোর্টিং, ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের হয়ে খেলেছিলেন। ভারতের 'মিস্টার ভার্সেটাইল' ২০১২ সালে এআইএফএফ বর্ষসেরা ভারতীয় ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এখন দেখার, আইএসএল থেকে জামশেদপুর এফসির নাম তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে কিনা জামশেদপুর টাটা কর্তৃপক্ষ। এই মরশুমে মোটামুটি ভাবে যা ঠিক হয়েছে, তাতে অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা আইএসএলের। তার আগে ডুরান্ড চলার মধ্যেই জামশেদপুর কর্তৃপক্ষ সরকারি ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তারা আর এই মরশুমের আইএসএলে নেই। আর জামশেদপুরের এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন দলের কোচ, সাপোর্টিং স্টাফ এবং ফুটবলাররা। হঠাৎ করে ক্লাব বন্ধ হয়ে গেলে, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে? জামশেদপুর এফসির অভিজ্ঞ ফুটবলার প্রণয় হালদারের আশঙ্কা, ক্লাবের সিনিয়র দল না থাকলে ঝাড়খণ্ডের বহু তরুণকে সুযোগের সন্ধানে অন্য রাজ্যে যেতে হবে। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, "জামশেদপুর এফসি তরুণ ফুটবলারদের বিরাট একটা প্ল্যাটফর্ম। এটা ভারতীয় ফুটবলের জন্যও খারাপ খবর।" ফেডারেশন জামশেদপুর কর্তৃপক্ষকে দল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি আবার ভেবে দেখার জন্য ১২ আগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছে। আশায় রয়েছেন সমর্থক ও ফুটবলাররা। প্রণয়ের কথায়, "এক শতাংশ সম্ভাবনা থাকলেও আমরা এখনও আশাবাদী।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement