সেপ্টেম্বরে নতুন ফুটবল অভিযানে ভারত। যেখানে সামনে থাকবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মতো দল। ফাইনালে দেখা হতে পারে পাকিস্তানের সঙ্গেও। গত বছরই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই নতুন টুর্নামেন্টের কথা ঘোষণা করেছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের উন্নতিতে এবছর শুরু হচ্ছে ফিফা আশিয়ান টুর্নামেন্ট। সেখানে আমন্ত্রণমূলকভাবে খেলতে যাবে ভারত। এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জন না করতে পারায়, সামনে কোনও বড় টুর্নামেন্ট নেই। যেখানে চ্যাম্পিয়ন হলে 'ব্লু টাইগার্স'রা পেতে পারে ১০ কোটি টাকা।
২০২৫-র অক্টোবর মাসে মালয়েশিয়ার আশিয়ান সামিটে এই টুর্নামেন্টের ঘোষণা করেন ইনফান্তিনো। সেখানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সংগঠন আশিয়ানের সঙ্গে একটি মউ চুক্তি করে ফিফা। ওই অঞ্চলে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি, পরিকাঠামো নির্মাণ ও তরুণদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য এই বছর থেকে ফিফা আশিয়ান টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। এই অঞ্চলে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ হয়। সেটাই প্রধান টুর্নামেন্ট। কিন্তু এই টুর্নামেন্টটি ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডোর বাইরে অনুষ্ঠিত হয়। যে কারণে ক্লাবগুলো অনেক সময় আশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্লেয়ার ছাড়ে না।
তাই পাশাপাশি এই নতুন টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হতে চলেছে। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় ফিফা আশিয়ান কাপ হবে। যেখানে আছে ১৪টি টিম। প্রিমিয়ার ডিভিশনে গ্রুপ এ'তে ভারতের সঙ্গে আছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। গ্রুপ বি'তে আছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স ও আমন্ত্রণমূলকভাবে পাকিস্তান। দুই গ্রুপের জয়ী দল ফাইনালে উঠবে। চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে দু'টি গ্রুপে আছে ৬টি টিম। সেখানেও দু'টি গ্রুপের জয়ী দলের মধ্যে আলাদা একটি ফাইনাল হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের ফলাফল বেশ খারাপ। এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে। পরে ইউনিটি কাপে ও তাজিকিস্তানের কাছেও হেরেছে খালিদ জামিলের দল। এই মুহূর্তে র্যাঙ্ক ১৩৮। সেখানে ইন্দোনেশিয়া আছে ১১৮ নম্বরে। এই টুর্নামেন্টে ডাক পেয়েছিল চিনও। তবে এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য তারা খেলতে যাবে না। সেই জায়গায় ডাক পেয়েছে পাকিস্তান।
