সুবিধাজনক সূচি। একের পর এক ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের 'সুফল'। চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উপর ফুটবল ঈশ্বর যেন একটু বেশিই সদয়! অন্তত নিন্দুকদের তেমনটাই দাবি। যা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষ-কুকথাও কম শুনতে হচ্ছে না আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের। তবে সেসব সমালোচনাকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ লা অলবেসেলস্ত কোচ লিওনেল স্কালোনি। বরং তিনি ওই সব সমালোচনাকে অস্ত্র করে দলকে আরও তাতাতে চাইছেন। তাছাড়া স্কালোনির দাবি, আজকের এই উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কোনও দলকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়াটা সম্ভবই নয়।
স্কালোনি বলছেন, "এই ধরনের বিতর্ক বা আমাদের সমালোচনা নতুন কিছু নয়। সেই ১৯৮৬ সালে আমরা যখন বিশ্বকাপ জিতলাম তখনই একই রকম কথা বলা হয়েছিল। আজ ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও বিতর্ক তৈরি করা হয়।"
চলতি বিশ্বকাপে এমনিতে দুর্দান্ত ফর্মে লিওনেল মেসিরা। তাছাড়া এ পর্যন্ত বিরাট কঠিন কোনও প্রতিপক্ষের মুখোমুখিও হতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে। রবিবার কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ওই ম্যাচের আগে সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে একপ্রকার বিস্ফোরণ ঘটালেন স্কালোনি। তিনি বলছেন, "আসলে আমরা আগের বিশ্বকাপ জিতেছি বলেই হয়তো অনেকে চায় না আমরা আবার জিতি। আমরা সেটা জানি। এই সমালোচনা এবং মন্তব্যই আমাদের ফুটবলারদের আরও অনুপ্রাণিত করে। এগুলোকে আমরা লড়াই করার শক্তি হিসেবে দেখি। এগুলোই ভালো পারফর্ম করার অনুপ্রেরণা জোগায়।"
সতীর্থদের সঙ্গে খোশমেজাজে মেসি। ছবি: পিটিআই
স্কালোনি বলছেন, "এই ধরনের বিতর্ক বা আমাদের সমালোচনা নতুন কিছু নয়। সেই ১৯৮৬ সালে আমরা যখন বিশ্বকাপ জিতলাম তখনই একই রকম কথা বলা হয়েছিল। আজ ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও বিতর্ক তৈরি করা হয়। এসব একেবারেই আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। আর্জেন্টিনা যখনই ভালো খেলে, এভাবে বিতর্ক তৈরি করা হয়। আমরা এসবে অভ্যস্ত। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা আর্জেন্তিনাকে জিততে দেখতে চান না।"
স্কালোনির সাফ কথা, আজকের প্রযুক্তির যুগে কোনও দলকে বাড়তি সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ গোটা বিশ্বের নজর প্রতি মুহূর্তে এই ম্যাচের দিকেই থাকছে। আর্জেন্টিনার হেডকোচের কথায়, "ভিএআরের যুগে এসে পক্ষপাতিত্ব করা খুবই কঠিন। এখানে কোনও সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকে না। তাছাড়া ভারে কীভাবে কোনও সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সেটা টুর্নামেন্টের আগেই আমাদের দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে।" মেসিদের কোচের দাবি, "যাবতীয় যা বিতর্ক সবই হচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়। এখনে ছোট বিষয়ও অনেক বড় করে দেখা হয়।"
