একদিকে যুদ্ধ, অন্যদিকে ফুটবল। বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) আমেরিকায় খেলতে না যাওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরান। অবশেষে সেই নিয়ে মুখ খুলল ফিফা। ফুটবল নিয়ামক সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সাফ বার্তা, যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও আমেরিকাতে গিয়েই খেলতে হবে ইরানকে। অন্যদিকে ইরান না খেললে যাদের বিকল্প বলে ভাবা হচ্ছিল, সেই ইরাকও বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পেয়েছে। বলিভিয়াকে হারিয়ে ৪৮তম দল হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক।
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে ইরান। তুরস্কের মাটিতে সেই ম্যাচ দেখতে হাজির ছিলেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো। ম্যাচের পর তিনি জানিয়ে দেন, "ইরান বিশ্বকাপে খেলবে। যেখানে ওদের ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল, সেখানেই হবে। কোনও প্ল্যান বি নেই। সূচি অনুযায়ী খেলা হবে। ইরান খুবই শক্তিশালী হল। আমি ওদের খেলা দেখলাম। প্লেয়ার ও কোচেদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সব ঠিক আছে।"
তবে এদিনও প্রতিবাদ বজায় রাখেন ইরানের ফুটবলাররা। জাতীয় সঙ্গীতের সময় আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে নিহতদের ছবি হাতে নিয়ে মাঠে নামেন মেহদি তারেমিরা। এর আগে হাতে স্কুল ব্যাগ নিয়ে ‘নীরব প্রতিবাদ’ জানিয়েছিলেন ফুটবলাররা। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে লিখেছিলেন, ‘ইরান প্লেয়ারদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই বলছি, এই সময়ে বিশ্বকাপ খেলতে আসা ঠিক হবে না ওদের পক্ষে।’
মাঝে শোনা গিয়েছিল, ইরান না খেললে ইরাককে বিশ্বকাপে নেওয়া হবে। তবে এদিন বলিভিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছে ইরাক। মেক্সিকোতে আয়োজিত ম্যাচে ইরানের হয়ে গোল করেন আলি আল-হামাদি ও আয়মেন হুসেন। একটি গোল শোধ করেন বলিভিয়ার মোইসেস পানিয়াগুয়া। ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট হাতে পেল ইরাক। যুদ্ধের জন্য এই ম্যাচের আগে সমস্যায় পড়েছিল তারা। তবে সব বাধা উড়িয়ে বিশ্বকাপে খেলবে ইরাক।
