ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের (Kalyan Chaubey) বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন মহিলা কমিটির প্রধান ভালেঙ্কা আলেমাও। এবার তার জবাব দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সচিব এম. সত্যনারায়ণের তরফ থেকে এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, অতীতে চার্চিল ব্রাদার্সের কর্ণধারের কিছু কর্মকাণ্ডের 'উদাহরণ' দেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার 'স্বচ্ছতা' বজায় রাখতে জবাব দিয়েছেন সত্যনারায়ণ।
ফেডারেশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ভালেঙ্কা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা চার্চিলকে আইএসএলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু নিয়মমাফিক সেই কাজ করতে পারেনি এআইএফএফ। ১৪টা দল নিয়েই যে এবার আইএসএল হবে, সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরেনি ফেডারেশন। তাছাড়া ক্রীড়া আদালতের রায়ে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইন্টার কাশী। তাই চার্চিলকে কোনও ভাবেই আইএসএলে নেওয়া সম্ভব নয়।
সত্যনারায়ণ আরও জানিয়েছেন, তারপরও চাপ বজায় রেখেছিলেন ভালেঙ্কা। নিজে এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য হয়েও বাকিদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। একাধিকবার মিটিং ডেকেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভালেঙ্কার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। তাহলে কি চার্চিলকে আইএসএলে না নেওয়ার জন্যই কল্যাণের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন গোয়ার ফুটবল ক্লাবের প্রধান? সেটা অবশ্য স্পষ্ট করে বলা হয়নি।
উল্লেখ্য, ২৯ মার্চ দিল্লিতে এআইএফএফের এক্সিকিউটিভ কমিটির মিটিং ছিল। ভালেঙ্কার অভিযোগ, সেখানে সিনিয়র কর্মকর্তারা তাঁকে হেনস্তা করেছেন। কমিটির সদস্যদের পাঠানো চিঠিতে আলেমাও চার্চিলের কন্যা কল্যাণ ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, ‘সভাপতি কল্যাণ চৌবে, সহ-সভাপতি এনএ হ্যারিস ও সচিব এম. সত্যনারায়ণের জঘন্য ব্যবহারের কথা জানাতে চাই। তাঁদের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট ও সভাপতির দ্বারা বারবার আমার বক্তব্য দাবিয়ে দেওয়া হয়। সভাপতি আমাকে নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য করেন।’ প্রসঙ্গত, এশিয়া কাপে মহিলা ফুটবল দলের ব্যর্থতার পর ভালেঙ্কা বিস্ফোরক চিঠি দিয়েছিলেন ফেডারেশনকে। একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গোয়ার ফুটবল প্রশাসক।
