এক ম্যাচ হারতেই গোলযোগ! গ্রুপ পর্ব থেকে শীর্ষে থেকেই পরের রাউন্ডে গিয়েছে জার্মানি। কিন্তু শেষ ম্যাচে হারতে হয়েছে ইকুয়েডরের কাছে। তারপরই জার্মান শিবিরে মতপার্থক্য। যার একদিকে কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান, অন্যদিকে অধিনায়ক জশুয়া কিমিচ। ম্যাচের হারের কারণ হিসেবে দু'জন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেলেন।
কিক অফের ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের মাথায় ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজের দুরন্ত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লেরয় সানে। কিন্তু ৯ মিনিটে নিলসন অ্যাঙ্গুলো দূরপাল্লার শটে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। ৭৭ মিনিটে কর্নার পায় হলুদ জার্সিধারীরা। সেটপিসের সুযোগ কাজে লাগায় তারা। প্রথমে বল চলে আসে গঞ্জালো প্লাতার কাছে। প্রথম সুযোগ হাতছাড়া করলেও দ্বিতীয়বার ভুল করেননি। তাঁর দক্ষতায় স্কোর লাইন ইকুয়েডরের পক্ষে ২-১। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে 'ই' গ্রুপ থেকে তৃতীয় হয়েও পরের রাউন্ডে গিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ।
হারের কারণ হিসেবে অধিনায়ক কিমিচ বলেন, "আমাদের সঙ্গে ওদের একটা পার্থক্য ছিল। ওরা আমাদের থেকে বেশি ক্ষুধার্ত ছিল। তাই তারা জিতেছে।" এমনকী স্ট্রাইকার ডেনিজ উন্ডাভও বলেন, "ইকুয়েডর অনেক বেশি আগ্রাসী ছিল। অনেক বেশি লড়াকু ছিল। আমরাও বুঝলাম যে, আমাদের আরও জান লড়িয়ে খেলা উচিত। ওরা প্রতিটা বল তাড়া করেছে। ১০০ শতাংশ দিয়েছে। সোজা কথা হল, ওরা এই ম্যাচটা আমাদের থেকে বেশি জিততে চেয়েছিল।"
কিন্তু জার্মান কোচ নাগেলসম্যান ভিন্নপথের পথিক। এই আগ্রাসী মানসিকতার অভাবের যুক্তি তিনি মানতে রাজি নন। তাঁর বক্তব্য, ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল অঙ্কে ভুল হয়েছে। তিনি বলেন, "এইসব বাজে কথা বলা বন্ধ হোক। আমরা ভালো শুরু করেছিলাম। দুর্ভাগ্য যে আমরা গোল করার পরই জায়গা ছাড়তে শুরু করি। ইকুয়েডর সর্বস্ব দিয়ে খেলেছে ঠিকই। তার মানে এই নয় যে, আমাদের প্লেয়াররা সর্বস্ব দেয়নি। বিষয়টা এত সহজ নয়।"
