কোয়ার্টার ফাইনালে এসে হার। তবু মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) থেকে বিদায় নিয়েছে নরওয়ে। মেগা টুর্নামেন্টে নিজেদের দেশের জার্সিতে সেরা পারফরম্যান্স করে এসেছেন আর্লিং হালান্ডরা। দেশে ফিরতেই জনজোয়ারে একেবারে ভেসে গেল নরওয়ে ব্রিগেড। বিখ্যাত ভাইকিং রো সেলিব্রেশন করতেও ভুললেন না বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা।
রবিবার শেষ হয়েছে নরওয়ের বিশ্বকাপ অভিযান। এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত দুরন্ত লড়াই করেও ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ হারতে হয়েছে। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাটাই বিশ্বকাপে নরওয়ের সেরা পারফরম্যান্স। প্রিয় দলের পারফরম্যান্সে খুশি নরওয়েবাসীও। তাই ঘরে ফেরা নায়কদের বরণ করে নিতে পথে নেমেছিলেন অন্তত ১ লক্ষ মানুষ। গান গেয়ে, পতাকা উড়িয়ে সেলিব্রেশনে মেতেছিলেন। গোটা বিশ্বকাপজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল হালান্ডদের ভাইকিং রো সেলিব্রেশন। ৯০ হাজারের ভিড় সেটাও করতে ভোলেনি।
রাত পর্যন্ত নরওয়েতে সেলিব্রেশন চলেছে বলে খবর। প্রথমে ফুটবলাররা যান রাজপ্রাসাদে। সেখানে রাজার সঙ্গে হ্যান্ডশেক। রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেতে ওঠেন ভাইকিং রো'তে। তারপর শুরু ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ। রাজপ্রাসাদের সামনে ততক্ষণে সরকারি হিসাবে ৮৮ হাজার মানুষের ভিড়। কিন্তু নরওয়ের সংবাদমাধ্যম বলছে সংখ্যাটা অন্তত ১ লক্ষ ছুঁয়েছে। প্রাসাদের সিঁড়িতে বসে ফুটবলাররা আবার ভাইকিং রো শুরু করেন। ড্রাম বাজান নরওয়ের যুবরাজ হাকন স্বয়ং।
রাজপ্রাসাদ থেকে হুডখোলা বাসে চেপে একেবারে বিজয়যাত্রার ঢঙে শুরু হয় সেলিব্রেশন। রাজধানী ওসলোর পথ ধরে ধীর গতিতে এগোয় বাস। প্রিয় ফুটবলারদের দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন আমজনতা। তবে বিজয়োল্লাসের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বিদ্যুতের তার। একাধিকবার তারের সমস্যায় আটকে যায় হুডখোলা বাস। প্রায় ১.৩ কিলোমিটার এইভাবে যাত্রা করে নরওয়ে দল। উল্লেখ্য, দেশে এমন বাঁধনহারা সেলিব্রেশনের সাক্ষী থাকতে পারেননি হালান্ড। বিমান সমস্যার কারণে মার্কিন মুলুক থেকেই ইটালি পাড়ি দিতে হয় তাঁকে।
