ফুটবলাররা সাধারণত স্বাস্থ্যসচেতন হন। কিন্তু লোভনীয় খাবার সামনে থাকলে কি নিজেকে আটকে রাখা যায়? আর ভারতীয় খাবারের মতো সুস্বাদু খাবার আর ক'টা আছে! সেই খাবারের স্বাদেই মজেছেন আর্লিং হালান্ড। একদিকে বিশ্বকাপে ভূরিভূরি গোল। অন্যদিকে আঙুল চেটে গার্লিক ব্রেড, বাটার নান। নরওয়ের তারকার সাফল্যের রহস্য কি ভারতীয় খাবারই?
এবারের বিশ্বকাপে ২ ম্যাচের দু'টিতেই জিতে রাউন্ড অফ ৩২-এ চলে গিয়েছে নরওয়ে। ৪ গোল করে সোনালি বুটের দৌড়ে হালান্ড। সামনে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠিন ম্যাচ। এমবাপে বনাম হালান্ড লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে ফুটবল দুনিয়া। তার আগে প্রিমিয়ার লিগ ফর ইন্ডিয়ার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ভিডিওয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকারকে বলতে শোনা গেল, "সত্যি কথা বলতে আমি ভারতীয় খাবার ভালোবাসি।" কী কী খাবার পছন্দ, তারও একটি তালিকা জানিয়ে দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সি স্ট্রাইকার।
সেই তালিকায় আছে ভেড়ার মাংস, বাটার চিকেন, গার্লিক নান। এর মধ্যে পরের দু'টি খাবার শুধু ভারতীয় নয়, বিশ্বের সব প্রান্তেই জনপ্রিয়। হালান্ডও এগিয়ে রাখছেন সেই দু'টি খাবার। ম্যাঞ্চেস্টারে থাকেন বলে ভারতীয় খাবার ও রুচির সঙ্গে মিল রয়েছে। এমনিতে নরওয়ে তারকা খুবই খাদ্যরসিক। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর প্রত্যেকদিন ৬০০০ ক্যালোরির প্রয়োজন পড়ে। এছাড়া, এই বিশ্বকাপের জন্য নরওয়ে দল সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছে প্রায় ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ এবং ১১৬ কেজি বিখ্যাত নরওয়েজিয়ান ব্রাউন চিজ।
শুধু হালান্ড নন, অনেক বিখ্যাত ফুটবলারই ভারতীয় খাবার খেতে ভালোবাসেন। যেমন ভারতে এসে পনির ও চিকেন মালাই টিক্কা, বিরিয়ানি ও দই চাট খেতে ভালোবাসেন। জার্মান ফুটবলার এলকায় গুন্দোগানও স্বীকার করেছিলেন, বাটার চিকেন ও নান খেতে ভালোবাসেন। তিনিও ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতেই খেলতেন। তার থেকেই কি হালান্ড ভারতীয় খাবারের স্বাদ পেয়েছেন?
