শুরু হয়ে গেল ফুটবলের বিশ্বযুদ্ধ। আগামী দেড় মাস, নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেবেন ৪৮ দেশের ফুটবলাররা। কখনও স্টেডিয়ামে গলা ফাটিয়ে, কখনও বাড়িতে বসে প্রার্থনায় তাঁদের পাশে থাকবেন অসংখ্য ভক্তকুল। সেই যুযুধান লড়াইয়ের সূচনা হল সুর-তালের মূর্ছনায়। বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর এস্তাদিয়ো আজতেকা মুখরিত হল শাকিরার গানে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মাতিয়ে দিল মেক্সিকোর স্থানীয় সংস্কৃতি।
স্থানীয় সময় বেলা ১১ টা নাগাদ মেক্সিকোয় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রথমেই ছিল স্থানীয় নৃত্যশৈলী এবং গানের অনবদ্য মিশেল। মাঠজুড়ে তখন ভর্তি দর্শক। নিজের দেশের গানের সঙ্গে গলা মেলালেন আমজনতাও। ধীর লয়ের এই পারফরম্যান্স শেষ হতেই মঞ্চে ওঠে মেক্সিকোর পপ-রক ব্যান্ড মানা। চার সদস্যের ব্যান্ড যখন গাইছে, স্টেডিয়ামের চারদিকজুড়ে তখন আতশবাজির রোশনাই। সেজে ওঠে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ।
মেক্সিকোর অন্যতম বিখ্যাত গায়িকা বেলিন্ডা পেরেগ্রিনের পারফরম্যান্সও এদিনের দর্শকদের মন জয় করে নেয়। বিখ্যাত পপস্টার তথা কলম্বিয়ান গায়ক জে বলভিনকেও এদিন মঞ্চ মাতাতে দেখা যায়। তাঁর বিখ্যাত একাধিক গানের কিছুটা করে অংশ এদিন পরিবেশন করে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। কথায় বলে মধুরেণ সমাপয়েত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একেবারে শেষ লগ্নে মঞ্চে উঠলেন শাকিরা। বিশ্বকাপের থিম সংয়ের সঙ্গে কার্যত সমার্থক হয়ে গিয়েছে এই গায়িকার নাম।
ওয়াকা ওয়াকা থেকে শুরু করে দাই দাই-বিশ্বকাপের অবিস্মরণীয় সব থিম সং উপহার দিয়েছেন শাকিরা। হলুদ টপ, সাদা স্কার্ট এবং সানগ্লাসে সেজে তিনি আবারও জমিয়ে দিলেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ। বার্না বয়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের থিম সং দাই দাই গেয়ে শুরু করলেন দেড়মাস ব্যাপী মহাযুদ্ধের। মিনিট পনেরোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হল শাকিরার পাওয়ার পারফরম্যান্স দিয়ে। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে আয়োজক মেক্সিকো। তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।
