বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ের সমীকরণে অনেকটাই এগিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। কিন্তু পরের দুই ম্যাচে ভিন্ন ছবি। মরক্কোর কাছে ১-০ হারের পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধেও সুখবর পাননি স্কটিশ ফুটবলাররা। সেলেকাওদের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হেরে সমস্ত হিসাব ওলটপালট হয়ে যায়। টানা দু'ম্যাচে হেরে তাদের পয়েন্ট ৩। গোল পার্থক্য -৩। সেরা তৃতীয় দলগুলোর তালিকায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে ওঠা হয়নি স্কটিশদের। সেই হতাশায় পদত্যাগ স্কটল্যান্ড কোচের। এখানেই শেষ নয়, বিশ্বকাপের মাঝেই চাকরি যাচ্ছে আর এক হেডস্যরের!
ব্রাজিলের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর স্কটল্যান্ডের ভাগ্য নির্ভর করছিল অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের উপর। তবে সেই সমীকরণ আর মেলেনি। শনিবার গ্রুপ পর্বের শেষ দিন ঘানাকে ২-১ গোলে হারায় ক্রোয়েশিয়া। এই ফলেই অঙ্কের হিসাবে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় স্কটল্যান্ডের। হতাশার বিদায়ে সাত বছর দায়িত্ব সামলানোর পর পদত্যাগ করেন হেডকোচ স্টিভ ক্লার্ক। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবারই শার্লটের টিম বাসে থাকা ফুটবলারদের নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন তিনি। অথচ এক মাস আগেই নতুন করে চার বছরের চুক্তিতে সই করেছিলেন তিনি।
স্টিভ ক্লার্ক। ফাইল ছবি।
স্টিভ ক্লার্কের কথায়, "ফুটবলারদের নিয়েই আমার যাবতীয় আবেগ। ওরা না থাকলে ২০১৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত এত সুন্দর স্মৃতি জমা করতে পারতাম না। ফুটবলাররাই সমস্ত প্রশংসা ও ভালোবাসার যোগ্য। ওদের কোচ হতে পারাটা সত্যিই অনেক বড় সম্মানের। সুযোগ দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ এবং আমার উত্তরসূরির জন্য শুভকামনা।"
স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বিবৃতি দিয়ে জানায়, 'আমাদের সবচেয়ে সফল ম্যানেজার এবারের বিশ্বকাপে দলের অভিযান শেষ হওয়ার পর সাত বছরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।' উল্লেখ্য, বিভিন্ন গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে সেরা আটটি দল নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। সেনেগালও ৩ পয়েন্ট পেয়েছিল। +২ গোল ব্যবধান থাকায় তারা পরের পর্বে জায়গা করে নেয়। আর -৩ গোল ব্যবধানেই স্বপ্ন ভাঙল স্কটল্যান্ডের। অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিদায়ঘণ্টা বাজার পর গ্রিক কোচ জর্জিয়োস ডোনিসের বিদায় কার্যত পাকা।
