অবশেষে স্বস্তি ইরানের। বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) মেহেদি তারেমিদের উপর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করল ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগে পর্যন্ত ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে আমেরিকায় ঢোকার অনুমতি পেত ইরান। ম্যাচের আধঘণ্টার মধ্যে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হত মেক্সিকোতে। তারপরও দুই ম্যাচ ড্র করেছে ইরান। আমেরিকার বিধিনিষেধ নিয়ে ফিফাকে চিঠি দিয়েছিল তারা। এবার মিশরের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচের আগে কিছুটা ছাড় পাবে। তবে থাকছে শর্তও।
এবার আর একদিন নয়। ম্যাচের দু'দিন আগে আমেরিকায় ঢোকার অনুমতি দিয়েছে দেশের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তাদের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, "২৬ জুন সিয়াটলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের জন্য ইরান দল ম্যাচের দু'দিন আগে আমেরিকায় ঢুকতে পারবে। তবে শর্ত হল, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপর মার্কিনভূমি ছাড়তে হবে। আর কোনও বদল নেই। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রটোকলে একই রকম কড়াকড়ি থাকবে। আমরা প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ ও সমর্থকদের নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি।"
প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সঙ্গে ২-২ গোলে করে ইরান। পরে বেলজিয়ামের মতো শক্তিশালী দেশকে থামিয়ে দেয় তারা। ম্যাচের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই। তাঁর বক্তব্য ছিল, বেলজিয়ামের মতো শক্তিশালী দলের মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি তাঁদের। অনেকের মতে, এভাবে যাতায়াত করে ফুটবল খেলা শুধু অমানবিক নয়, অপেশাদারও। এমনকী ইরানের ফুটবল ফেডারেশন থেকে ফিফার কাছে বিধিনিষেধ কমানোর আবেদন করা হয়।
বহু কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে বিশ্বকাপ খেলতে নেমেছে ইরান। কিন্তু নিজেদের প্রথম ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করার পরেই আয়োজকদের রোষে পড়েন মেহদি তারেমিরা। লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পরই রীতিমতো ‘ঘাড়ধাক্কা’ দেওয়া হয় ইরান ফুটবল দলকে। শুধুমাত্র ম্যাচের সময়টুকুর জন্য মার্কিন ভিসা পেয়েছে ইরান। বাকি সময়টা মেক্সিকোয় থাকছে। বেস ক্যাম্প তিজুয়ানা শহরেই অনুশীলন করছে ইরান।
