ইস্টবেঙ্গল ০
গোয়া ০
জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal)। বৃহস্পতিবার তাদের সামনে এফসি গোয়া (FC Goa)। গোয়া এমন একটা দল, যাদের কাছে গতবার সুপার কাপের ফাইনালে হেরে খেতাব হাতছাড়া হয়েছিল মশাল বাহিনীর। তাই ম্যাচটা যে সহজ হবে না, সেটাও সহজেই অনুমেয় ছিল। সেই গোয়ার গাঁটে আবারও আটকে গেল অস্কার ব্রুজোর দল। ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য অবস্থায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল মিগুয়েল-রশিদদের।
প্রথমার্ধের স্কোর লাইন যতই শান্ত (০-০) দেখাক না কেন, ম্যাচ চলেছে পাল্লা দিয়ে। দুই দলের আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৭ মিনিটের মাথায় লাল-হলুদ বক্সে ঢুকে পড়েন ঈশান পণ্ডিতা। আনোয়ার আলির অনবদ্য ট্যাকেলে বিপন্মুক্ত হয় ইস্টবেঙ্গল। এর মিনিট পাঁচেক পর আকাশ সাঙ্গওয়ানের ক্রস ক্লিয়ার করেন সেই আনোয়ার। ১৭ মিনিটে ইউসেফ এজেজারি ও মিগুয়েলের যৌথ আক্রমণ দেখা যায়। তবে বিপক্ষ দলে ছিলেন সন্দেশ জিঙ্ঘান। ২৬ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। বিপিন সিংয়ের অনবদ্য ক্রস থেকে বল পেয়ে পোস্টের উপর মেরে বসেন ইউসেফ।
এরপর গোয়াও বেশ কিছু বার গোল লক্ষ্য করে শট নেয়। তবে সতর্ক ছিলেন লাল-হলুদ গোলকিপার প্রভসুখন সিং। এরই মধ্যে ৩৯ মিনিটে সহজতম সুযোগ নষ্ট করে গোয়া। গোলকিপার গিলকে একলা পেয়েও ব্যর্থ হন ঈশান পণ্ডিতা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আবার মিস পণ্ডিতার। ৪৩ মিনিটে রশিদের দূরপাল্লার শট বাঁচিয়ে দেন গোয়ান গোলকিপার।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে মিগুয়েল সুযোগ পেলেও তা ফলপ্রসূ ছিল না। ৫৫ মিনিটে দুই বদল আনেন ব্রুজো। এডমুন্ড লালরিন্ডিকা এবং নওরেম মহেশের জায়গায় নামেন অ্যান্টন এবং পিভি বিষ্ণু। ৬৪ ও ৬৮ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও ডেডলক ভাঙেনি লাল-হলুদে। ৭১ মিনিটে ফের সুযোগ পেলেও গোয়ার রক্ষণের ফাঁদ থেকে বেরতে পারলেন না ইউসেফ। ৭৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ঠিকানালেখা ক্রস পেয়েও রেনিয়ার ফার্নান্ডেজের শট অল্পের জন্য পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। গোলশূন্য ড্র করে চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে ইস্টবেঙ্গল। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে গোয়া। তিন ম্যাচে সবক'টিতে জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে মোহনবাগান। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জামশেদপুর। গোলপার্থক্যে সবুজ-মেরুনের থেকে পিছিয়ে তারা।
