বিশ্বকাপ ফাইনালে ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলে একটাও শট নেই। এহেন কুৎসিত পারফরম্যান্সে ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার পর দেশে ফিরেছে আর্জেন্টিনা টিম। বিমানবন্দরে লাল কার্পেট পেতে, ব্যান্ড বাজিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছে এনজো ফার্নান্ডেজদের। তবে গোটা বিশ্বকাপে যিনি আর্জেন্টিনাকে কার্যত কাঁধে করে বহন করেছেন, সেই লিওনেল মেসি (Lionel Messi) দেশমুখো হলেন না।
ফাইনালে হারলেও গোটা বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্সে খুশি আর্জেন্টিনা সমর্থককুল। তাই প্রবল বৃষ্টি এবং ঠাণ্ডার মধ্যেও নীল-সাদা পতাকা নিয়ে বিমানবন্দরে ভিড় জমিয়েছিলেন। সাদর অভ্যর্থনা জানান ফুটবলারদের। ভক্তদের কেউ বলছিলেন, "মেসি এতদিন আমাদের আনন্দ দিয়েছে। তাই ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন আর্জেন্টিনা সেলিব্রেট করবে।" আবার কারোও মতে, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য। ওই জয়টা গোটা আর্জেন্টিনাকে একসূত্রে বেঁধেছে। যদিও রবিবার ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনার নানা জায়গায় বিক্ষোভ শুরু করেন ফুটবলপ্রেমীরা।
কিন্তু প্রিয় মেসির একঝলক দেখা পেলেন না বিরাট ভক্তকুল। বিমান থেকে একে একে নেমে আসেন কোচ লিওনেল স্কালোনি থেকে শুরু করে ফুটবলাররা। কিন্তু মেসি ছিলেন না বিমানে। অর্থাৎ তিনি আর্জেন্টিনায় ফেরেননি। তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর মেসি কোথায় গিয়েছেন, তা অজানা। অন্যদিকে, বিশ্বজয়ী স্পেনকে স্বাগত জানিয়েছেন অন্তত ২০ লক্ষ মানুষ। মাদ্রিদের পথে নেমে ভিকট্রি প্যারেডে শামিল হন তাঁরা।
বিশ্বকাপ জেতার পর বিশ্বর্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে উঠে এল স্পেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে এই সিংহাসন ছিল মেসিদের দখলে। ফাইনাল হারের পর আর্জেন্টিনা নেমে গিয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। বিশ্বকাপে তৃতীয় হলেও ক্রমতালিকায় চার নম্বরে রয়েছে ইংল্যান্ড। তৃতীয় স্থান রয়েছে ফ্রান্সের দখলে। তবে প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেও র্যাঙ্কিংয়ে একধাপ উন্নতি করেছে ব্রাজিল। তারা পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে পর্তুগালকে সরিয়ে দিয়ে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা রয়েছেন সপ্তম স্থানে, মরক্কোর ঠিক পরেই। বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের পর প্রথম দশে ঢুকে পড়েছে আয়োজক দেশ মেক্সিকো। এছাড়াও প্রথম দশে রয়েছে বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডস।
