ক্যালকাটা কাস্টমস: ১ (রৌনক)
মোহনবাগান: ০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা লিগের গত ম্যাচে বিএসএসকে ৫-২ গোলে হারিয়ে সুপার সিক্সে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল মোহনবাগান। বুধবার নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেমেছিলেন ডেগি কার্ডোজার ছেলেরা। যদিও ক্যালকাটা কাস্টমসের বিরুদ্ধে দ্বৈরথে শেষপর্যন্ত ০-১ গোলে হেরে সুপার সিক্সের রাস্তা আরও কঠিন করে তুলল মোহনবাগান।
এদিন সবুজ-মেরুন অধিনায়ক সন্দীপ মালিক চোটের কারণে মাঠে ছিলেন না। অন্যদিকে, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের দলে ছিলেন রবি হাঁসদার মতো তারকা। সুতরাং ম্যাচটা যে সহজ ছিল না, তা সহজেই অনুমেয়। শুরু থেকেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি আদিত্য অধিকারী, শিবম মুণ্ডারা। কাস্টমসও প্রাণবন্ত ফুটবল উপহার দেয়। ডান দিক থেকে বারবার উঠে এসে রিকি ঘরামি ব্যস্ত রেখেছিলেন সবুজ-মেরুন রক্ষণকে। প্রথমার্ধে কোনও পক্ষই কোনও দলই গোল করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলে ফেরার চেষ্টা করে দুই দলই। বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে শিবম মুণ্ডা। ভালো জায়গা থেকে ফ্রি-কিকও আদায় করে সবুজ-মেরুন। কিন্তু কিছুতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলেনি। কাস্টমসও ছেড়ে কথা বলেনি। ৬৯ মিনিটে কাস্টমসকে এগিয়ে দিতে পারতেন ঝন্টু প্রসাদ। তাঁর জোরাল শট অনবদ্য দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন মোহনবাগান গোলকিপার দীপ্রভাত ঘোষ। সন্দীপ মালিক না থাকায় এদিন সবুজ-মেরুনের নেতৃত্বে ছিলেন দীপ্রভাত। একেবারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। যেভাবে তিনি বেশ কয়েকটি নিশ্চিত পতন রোধ করেছেন, তা প্রশংসাযোগ্য।
৭১ মিনিটে মোহনবাগান আবারও ফ্রি-ফিক পেলেও তা ছিল নিষ্ফলা। এর ঠিক পরের মিনিটেই সুবর্ণ সুযোগ হেলায় হারান রিকি ঘরামি। ওপেন নেট পেয়েও তাঁর হেড বাইরে চলে যায়। এই সময় প্রতি-আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলতে দেখা যায় সবুজ-মেরুনকে। ৮০ মিনিটে সুযোগ পেলেও তা থেকে গোল হয়নি মোহনবাগানের। ৮৭ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করেন পীযূষ ঠাকুরি। ক্যালকাটা কাস্টমসের রক্ষণের বজ্র আঁটুনির কাছে বারবার আটকে পড়ছিলেন ডেগি কার্ডোজার ছেলেদের। খেলার গতির বিরুদ্ধে গিয়ে একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে কাস্টমসকে এগিয়ে দেন রৌনক পাল (৯০+৭)। এই হারের পর সুপার সিক্সের রাস্তা কঠিন হল মোহনবাগানের।
