গাজা উপত্যকায় ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষে মর্মান্তিক পরিণতি প্যালেস্টাইনের ফুটবলার সালিম আল-আশকারের। ইজরায়েলের বিমান হানায় সালিম প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি প্যালেস্টাইনের ফুটবল সংস্থার। চমকপ্রদভাবে ওই ফুটবলারের মৃত্যুর পর প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও সরকারিভাবে এ নিয়ে ন্যূনতম বিবৃতি পর্যন্ত দেয়নি ফিফা (FIFA)। স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ামক সংস্থার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ।
গাজা ভুখণ্ডে সেই ২০২৩ সাল থেকে ইজরায়েল এবং হামাসের সংঘর্ষ চলছে। প্যালেস্টাইন ফুটবল সংস্থার দাবি, 'গত ৩ বছরে ওই সংঘর্ষে সে দেশের হাজার হাজার ক্রীড়াবিদের মৃত্যু হয়েছে। সেই হাজারও ক্রীড়াবিদের মধ্যে একজন হলেন সালিম আল আশকার। ইজরায়েলি দখলদার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে শহিদ হয়েছেন তিনি।' আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পিএফএর আর্জি, এই হত্যার বিচার হোক।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সালিম আল-আশকার স্থানীয় ক্লাব খাদমাত খান ইউনুসে খেলতেন। ৩২ বছর বয়সি ওই গোলরক্ষক মাস পাঁচেক আগেই বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাড়িতে জ্বালানির সংকট মেটাতে রান্নার গ্যাসের খোঁজে বাইরে বেরিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হয়নি। ইজরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর।
প্যালেস্টাইন ফুটবল সংস্থা বলছে, এই অসম সংঘাতের ফলে সে দেশের ফুটবল ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। এই পরিস্থিতিতে ফিফা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার হস্তক্ষেপ করা উচিত। কিন্তু আল আশকারের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরও ফিফা নীরব। বরং আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ামক সংস্থা ব্যস্ত ফুটবলের বিশ্বকাপ নিয়ে। তাতেই ক্ষুব্ধ প্যালেস্টাইন ফুটবল সংস্থা-সহ ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ।
