মাদ্রিদে জনসমুদ্র। দেশে ফিরেছেন সোনার ছেলেরা। বিশ্বকাপ জেতার পর হুডখোলা গাড়িতে স্পেনের (Spain) রাজধানীতে অভ্যর্থনা জানানো হল রড্রি, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেসদের। শহরের প্রাণকেন্দ্রে হাজির ছিলেন প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ। ভক্তদের জন্য ফুটবলাররা ডিজে-র ভূমিকা পালন করলেন। নাচে-গানে মাতিয়ে দিলেন কুকুরেয়ারা। ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে নিয়ে ব্যঙ্গও। অন্যদিকে দেশে ফিরে সম্বর্ধনা পেল আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। তবে ছিলেন না লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ২০১০-র পর ফের বিশ্বসেররা খেতাব উঠল স্প্যানিশদের মাথায়। সেলিব্রেশনে না মাতলে হয়। তৈরিই ছিল স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ। প্রায় ২০ লক্ষ লোক হুডখোলা গাড়িতে অভ্যর্থনা জানান পাউ কুবারসি, উনাই সিমনদের। গ্রান ভা, পাসেও দেল প্রাডো এবং প্লাজা দে সিবেলেসের মতো জায়গায় তিলধারণের জায়গা ছিল না। লাল-হলুদ রঙের ধোঁয়ায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন ভক্তরা।
ছবি: পিটিআই
প্রথমে রাজপ্রাসাদে যান স্পেনের ফুটবলাররা। সেখানে রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রাজকন্যা লিওনর তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। অধিনায়ক রড্রি রাজাকে বিশ্বকাপের একটি রেপ্লিকা ও ৪ নম্বর লেখা একটি জার্সি উপহার দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী পেড্রো স্যাঞ্চেজের সঙ্গে দেখা করে গোটা দল। আনুষ্ঠানিক কাজকর্ম মিটতেই শুরু হয় আসল সেলিব্রেশন। সিবেলেস স্কোয়ারে বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বজয়ীদের জন্য। তবে তাঁরা চুপ করে বসে থাকেননি। নিজেরাই ডিজে-র ভূমিকা পালন করেন। যার নেতৃত্বে সাইড ব্যাক কুকুরেয়া। ইউরোজয়ের পর নিজেকে নিয়ে 'কু কু কুকুরেয়া' গেয়েছিলেন। এবারও একই কাণ্ড! নেচে মঞ্চে ঢোকেন লামিনে ইয়ামাল।
ছবি: পিটিআই
তবে এখানেও এল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর কথা। সেটা খোঁচা দেওয়ার জন্য। স্পেন দলের ইউরেমি পিনোর ডাকনাম রোনাল্ডো। তাঁকে উদ্দেশ্য করে সঞ্চালক বলেন, "আমাদের দলেও একজন রোনাল্ডো আছেন। তবে তিনি সত্যিই বিশ্বকাপ জিতেছেন।" অন্যদিকে দেশে ফিরে সম্বর্ধনা পেলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলাররাও। প্রবল শীতের মধ্যেও বহু মানুষ রাত জেগে অপেক্ষা করছিলেন। বিমানবন্দর থেকে আইকনিক ওবেলিস্ক পর্যন্ত সমর্থকরা সঙ্গে ছিলেন। বাজি ফাটিয়ে আনন্দে মাতেন তাঁরা। তবে ছিলেন না লিওনেল মেসি।
ছবি: পিটিআই
