ম্যাচ শেষে ডাগ আউটে হতাশভাবে বসে ছিলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) কোচ প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিস। পাশে বসে ফুটবলাররাও। তখন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঘোরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছেন আনোয়ার, গিল, এডমুন্ডরা। ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে তখন কান পাতা দায়। আর উল্টো দিকের মোহনবাগান গ্যালারি? ফাঁকা। ম্যাচ শেষ হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগেই সবুজ-মেরুন সমর্থকরা বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন ম্যাচের ভবিষ্যৎ। তাই ম্যাচের রেফারি আদিত্য কাশ্যপ শেষ বাঁশি বাজানোর অনেক আগেই তাঁরা ধীরে-ধীরে স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান।
অনেকে ভেবেছিলেন, এ দিন হয়তো সাংবাদিক সম্মেলনে মোহনবাগান কোচ দায়ী করবেন ফুটবলারদের ক্লান্তিকে। শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে ডুরান্ড ফাইনালে নিজেদের প্রস্তুত করার পর্যাপ্ত সময় পাননি বলে আগেই ক্ষোভ জানিয়েছিলেন দিলেমপেরিস। কিন্তু ডার্বি হারের পর সেই সুযোগও দিলেন না। সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেলেন। গ্রুপ পর্বের ডার্বি জয়ের পর প্রতিযোগিতার একটি মাত্র ম্যাচে হেরে গেল মোহনবাগান। সেই ম্যাচে হারল, যে ম্যাচ জিতলে ট্রফিটা তাদের ঘরে ঢুকত। তবে ১-৪ ফলাফলটা মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সমর্থকরাও। অনেক স্বপ্ন নিয়ে মাঠে আসার পর এই হার মেনে নিতে পারেননি তাঁরা। আপাতত ডুরান্ড ডার্বি ভুলে গিয়ে মোহনবাগানের সামনে আরও একটি ডার্বি আসতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পরের মাসের প্রথম সপ্তাহে হতে পারে কলকাতা লিগের ডার্বি। সেই ডার্বির দিকে তাকিয়ে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। এদিন মোহনবাগানের একমাত্র পাওনা-টুর্নামেন্টের সেরা গোলকিপার হয়েছেন বিশাল কাইথ। যদিও এদিন তাঁকে চারটে গোল খেতে হয়েছে।
