১১ বছরের অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হল। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার সফর কোয়ার্টার ফাইনালেই থামল। প্রথম পর্বে হেরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বে কামব্যাকের মরিয়া চেষ্টা কাজে লাগল না। অন্যদিকে ফের লিভারপুলকে হারিয়ে ইউসিএলের সেমিফাইনালে উঠল প্যারিস সাঁ জাঁ।
শেষবার ২০১৫ সালে বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে। তারপর থেকে দুঃসময় চলছে। এমনকী ইউরোপা লিগেও নেমে যেতে হয়েছে। এবার স্পেনেরই প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে ০-২ গোলে হেরে যান লামিনে ইয়ামালরা। তারপরও কামব্যাকের স্বপ্নে বিভোর ছিল বার্সেলোনা। সাংবাদিক সম্মেলন হোক বা সোশাল মিডিয়ায়, সর্বত্রই 'লা রেমোনটাডা' অর্থাৎ প্রত্যাবর্তনের বার্তা ছিল। মাদ্রিদের মাঠ মেট্রোপলিটানোতে শুরুটা সেভাবেই করেছিলেন গাভি-পেদ্রিরা। দিয়েগো সিমিওনের দলের ডিফেন্সের ভুলে গোল করেন ইয়ামাল। ২৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ফেরান তোরেস। দু'লেগ মিলিয়ে ফলাফল দাঁড়ায় ২-২।
কিন্তু এই মরশুমে যে সমস্যায় বারবার ভুগতে হয়েছে, সেই হাই লাইন ডিফেন্স এবারও ভোগাল হ্যান্সি ফ্লিকের বার্সোলোনাকে। ৩১ মিনিটে গতিকে কাজে লাগিয়ে অ্যাটলেটিকোর হয়ে ব্যবধান কমান আদেমোলা লুকম্যান। দুই লেগে তখন বার্সেলোনা হারছে ২-৩ গোলে। সেখান থেকে রবার্ট লেওয়ানডস্কি, মার্কাস র্যাশফোর্ডকে নামিয়েও আর ফিরে আসতে পারেনি বার্সেলোনা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতলেও সব মিলিয়ে ২-৩ গোলে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গেল বার্সেলোনা।
চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলেননি ব্রাজিলীয় তারকা রাফিনহা। প্রথম পর্বের ম্যাচে বার্সেলোনার পাউ কুবার্সি লাল কার্ড দেখেছিলেন। এই ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন এরিক গার্সিয়া। রেফারিং নিয়ে অসন্তুষ্ট রাফিনহা বলেন, "আমাদের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে। আমরা খুব ভালো খেলেছি। কিন্তু রেফারিং খুব খারাপ হয়েছে। কেন বার্সেলোনার বিরুদ্ধেই এরকম রেফারিং হয়?" অন্য ম্যাচে উসমান ডেম্বেলের জোড়া গোলে পিএসজি হারাল লিভারপুলকে। দুই পর্ব মিলিয়ে পিএসজি জিতল ৪-০ গোলে।
