'হালান্ড, হালান্ড, হি ইজ ব্লু, জাস্ট লাইক হিজ ড্যাড।' এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক হালান্ড, একথা বললেও অত্যুক্তি হবে না। গোটা প্রতিযোগিতায় সাতটি গোল করা খেলোয়াড় নরওয়েকে প্রথমবার পৌঁছে দিয়েছেন নকআউটে। তাই ইংল্যান্ডের কাছে হারের পরও নরওয়ে ও হালান্ড দুই-ই চর্চায়। অসলো বিমানবন্দরে হালান্ডদের বিমান নামার পরই সকলের নজর যে তারকা ফুটবলারের উপরে নিবদ্ধ থাকবে তা বলাই যায়। আর তাতেই চমকে উঠেছেন সকলে। তাঁর হাতে রয়েছে একটি রেকুন। কেন ওই প্রাণীটিকে তিনি নিয়ে এলেন মার্কিন মুলুক থেকে! প্রশ্ন উঠেছে।
হালান্ডা নিজেই শেয়ার করেছেন ছবিটি। সেখানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে কাঁধে ব্যাগ ও হাতে রেকুনটি নিয়ে নেমে আসছেন রোদচশমা পরিহিত হালান্ড। সঙ্গে ক্যাপশন 'এ আমার সঙ্গে বাড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।' উল্লেখ্য, রাকুনটি জীবিত নয়। ট্যাক্সিডার্মি করা সংরক্ষণযোগ্য একটি স্মারক। অর্থাৎ রেকুনের শরীরের ভিতরের সমস্ত কিছু বের করে দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই সংগ্রহযোগ্য বস্তুটি। ফোম বা তারের কাঠামোর বসানো 'মমি' রেকুনের হাতে ধরা হুইস্কির বোতল! কিন্তু কেন এটাই হালান্ডের অন্যতম সফরসঙ্গী হয়ে উঠল?
আসলে এই মাসের শুরুতে, তখনও নরওয়ে বিশ্বকাপ মাতাচ্ছে, সেই সময় হালান্ড আচমকা একদিন ছুটি পেয়ে পাড়ি দেন ডালাসের ওয়াইল্ড বিলের ওয়েস্টার্ন স্টোরে। সেখান থেকে কাউবয় হ্যাট, চামড়ার বুট, টি-শার্ট ইত্যাদি কেনার পর এই রাকুনটি পছন্দ হয়ে যায় তাঁর। স্বাভাবিক ভাবেই স্টোরটির মালিক উচ্ছ্বসিত হন হালান্ডকে 'ক্রেতা' হিসেবে পেয়ে। পরে তিনি পোস্ট করে জানান, 'হালান্ড এফেক্টে' অনলাইনেই স্টোর থেকে নিঃশেষিত ওই 'হুইস্কি রেকুন'। তবে এবার অনুরাগীদের প্রশ্ন, শিগগিরি প্রিমিয়ার লিগ শুরু হলে রেকুনটি নিয়েই কি হালান্ড ম্যাঞ্চেস্টার যাবেন? সেই উত্তর পেতে এখনও দেরি আছে। তবে আপাতত 'হুইস্কি রেকুন' যে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় স্মারক হয়ে উঠেছে তা বলাই যায়।
