shono
Advertisement
Diabetes

শিশুদের ডায়বেটিস রুখতে বড় অবদান! দেশকে পথ দেখাল বাংলা 'মডেল', শুরু প্রশিক্ষণ

২০২৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট ডায়াবেটিস বাংলার মডেলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 04:10 PM Jul 10, 2026Updated: 04:10 PM Jul 10, 2026

শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস চিকিৎসায় পথ দেখিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। সেই মডেলকেই গ্রহণ করল গোটা দেশ। এবার কেন্দ্রের রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় এল পশ্চিমবঙ্গের টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসকে রোখার মডেল। দেশের আটশোর বেশি জেলায় এ রাজ্যের কায়দায় একই কাঠামোয় শিশুদের ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা, ইনসুলিন সরবরাহ হবে। তারপর ধাপে ধাপে চলবে ধারাবাহিক ফলোআপ।

Advertisement

দেশে কুড়ি বছরের কম বয়সি প্রায় ১১ লক্ষ শিশু টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বেসরকারি ক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য খরচ মাসে ৭ থেকে ১০ হাজার। নতুন কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক স্তরেই হবে রোগ শনাক্তকরণ। এই অসুখের প্রাথমিক লক্ষণ প্রচণ্ড জল তেষ্টা, ঘন ঘন প্রস্রাব, রোগা হয়ে যাওয়া, সবসময় ক্লান্তি। জানা গিয়েছে, এই সব লক্ষণ দেখেই শিশুদের নিকটবর্তী ক্লিনিকে পাঠিয়ে রোগ শনাক্ত করা হবে। তারপর শুরু হবে চিকিৎসা।

বৃহস্পতিবার কলকাতার এক অভিজাত হোটেলে আরবিএসকে ২.০ কর্মশালায় ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. স্বপন সোরেন, এসএসকেএম এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সুজয় ঘোষ, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম প্রমুখ। প্রাথমিকভাবে দেশের ২৯টি রাজ্যের ১০০ জন নোডাল অফিসারকে দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ। দেশে কুড়ি বছরের কম বয়সি প্রায় ১১ লক্ষ শিশু টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বেসরকারি ক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য খরচ মাসে ৭ থেকে ১০ হাজার। নতুন কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক স্তরেই হবে রোগ শনাক্তকরণ। এই অসুখের প্রাথমিক লক্ষণ প্রচণ্ড জল তেষ্টা, ঘন ঘন প্রস্রাব, রোগা হয়ে যাওয়া, সবসময় ক্লান্তি। জানা গিয়েছে, এই সব লক্ষণ দেখেই শিশুদের নিকটবর্তী ক্লিনিকে পাঠিয়ে রোগ শনাক্ত করা হবে। তারপর শুরু হবে চিকিৎসা।

২০২১ সালে ডা. সুজয় ঘোষের নেতৃত্বে শিশু-কিশোরদের ডায়বেটিস প্রতিরোধে তৈরি হয় এক মডেল প্রকল্প। বাংলার পাঁচটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে তা শুরু হয়েছিল। তাতে ভালো সাড়া মেলে। টাইপ ওয়ান ডায়বেটিসে আক্রান্ত শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়েছে। বাংলার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে। ২০২৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট ডায়াবেটিস বাংলার মডেলকে স্বীকৃতি দেয়। সেই রাস্তায় এবার হাঁটল কেন্দ্রের প্রকল্প।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement