শীতকালে জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করে ঘাম ঝরানোর আনন্দই আলাদা। কিন্তু যত সমস্যা গরম পড়লেই। এবার তো মার্চের মাঝামাঝিতেই চড়ছে পারদ। রোদে বাড়ির বাইরে থাকাই দায়। এমন অবস্থায় শরীরচর্চায় অনিহা বাড়ে বইকী। অল্পতেই হাঁফ ধরতে পারে। ক্লান্তি বোধ হবে। তাহলে কী করবেন? এক্সারসাইজ কি ছেড়ে দেবেন? তা কেন! শরীরচর্চা করার সময় কয়েকটি বিষয়ের খেয়াল রাখলেই চলবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
শরীরচর্চা করার কিছু সময় আগে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেবেন। স্নান করার পরই ভেজা শরীরে কিন্তু ওয়ার্ক আউট শুরু করে দেবেন না। আগে শরীর ও মাথার চুল ভালো করে শুকিয়ে নেবেন। একটু বিশ্রাম নিয়ে শরীরচর্চা শুরু করবেন।
গরমের এই সময় শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতটা পারবেন হালকা পোশাক পরবেন। তাতে সুবিধা হবে।
এই সময় শরীরকে আর্দ্র রাখা খুবই প্রয়োজন। তাই শরীরচর্চার মাঝে মাঝে বিরতি নিন এবং সেই সময় জল বা এনার্জি ড্রিঙ্ক ট্রেনারের পরামর্শ মেনে খেতে থাকুন। এতে আপনার শরীরের সোডিয়াম, পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
গরমের এই সময় শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতটা পারবেন হালকা পোশাক পরবেন। তাতে সুবিধা হবে। আবার ঘাম হলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। পোশাকের রংও হালকা হওয়া ভালো।
যাঁরা সাইকেল চালান, তাঁরা চেষ্টা করবেন যাতে একটু উজ্জ্বল রঙের পোশাক পরবেন। আর ভোরবেলা সাইকেল নিয়ে বেরনোই ভালো। আর হ্যাঁ, সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। সানস্ক্রিন শুধুমাত্র গায়ের রং বাঁচাতেই সাহায্য করে না, তা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির থেকেও অনেকটা রক্ষা করে।
বাড়ির বারান্দা হোক বা জিম। গরমে কোন সময় শরীরচর্চা করছেন তা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখন রোদের যা তাপ তাতে, সকাল দশটার পর এবং বিকেল চারটের আগে ওয়ার্ক আউট না করাই ভালো। সবচেয়ে ভালো সময় ভোরবেলা। সেই সময় উঠে কাজটি সেরে নিতে পারেন। আর হ্যাঁ, এই সময় ইন্ডোর ওয়ার্ক আউট সেশন করাই সবচেয়ে ভালো। সেই সঙ্গে প্রয়োজন সঠিক ডায়েট। এক্ষেত্রে ডায়টেশিয়ান অথবা জিম ট্রেনারের পরামর্শ নিন।
