সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝকঝকে ত্বক আর ঈর্ষণীয় ফিগার! দক্ষিণী তারকা তামান্না ভাটিয়ার ফিটনেস (Tamanna Bhatia Fitness) রহস্য জানতে উৎসুক অনুরাগীর সংখ্যা কম নয়। তবে আপনি জানলে অবাক হবেন, তাঁর এই ফিটনেসের নেপথ্যে কোনও দামি বিদেশি সাপ্লিমেন্ট নয়। বরং রয়েছে বাঙালির অতি পরিচিত এক মশলা। তামান্নার ব্যক্তিগত ট্রেনার সিদ্ধার্থ সিংয়ের দাবি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে পেশির ক্লান্তি দূর করতে 'হলুদ'-এর বিকল্প নেই।
সিদ্ধার্থের মতে, হলুদের প্রধান উপাদান হল ‘কারকিউমিন’। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যৌগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ‘Chronic Inflammation’ অনেক রোগের উৎস। কারকিউমিন সেই প্রদাহ প্রশমিত করতে সাহায্য করে। জিম বা কায়িক পরিশ্রমের পর পেশির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা দ্রুত সারিয়ে তুলতে হলুদ মহৌষধের কাজ করে। এমনকী জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও এর ভূমিকা অনবদ্য।
শুধু পেশি নয়, অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও হলুদের বিশেষ গুণ রয়েছে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং পাকস্থলীর আস্তরণকে সুরক্ষিত রাখে। ট্রেনার সিদ্ধার্থ জানাচ্ছেন, অন্ত্রের সঙ্গে মস্তিষ্কের গভীর যোগ রয়েছে। তাই হজম ভালো হলে স্বাভাবিকভাবেই ‘ব্রেন ফগ’ বা মানসিক জড়তা কেটে যায় এবং মন চনমনে থাকে।
তবে হলুদ ব্যবহারের একটি বিশেষ নিয়ম বাতলে দিয়েছেন এই তারকা ট্রেনার। তিনি জানান, আমাদের শরীর হলুদে থাকা কারকিউমিন সহজে শোষণ করতে পারে না। তাই হলুদের সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ মেশানো জরুরি। গোলমরিচে থাকা পিপারিন উপাদানটি কারকিউমিনের কার্যকারিতা প্রায় ২০০০ গুণ বাড়িয়ে দেয়।
