শতচেষ্টার পরেও পাত্র কিংবা পাত্রী জুটছে না? দিনের পর দিন চলছে দেখাশোনা। অথচ পাকাকথার আগেই ভেস্তে যাচ্ছে সম্পর্ক? জ্যোতিষ মতে, জন্মছকে শুক্রের কৃপা না থাকলে, কিংবা বৃহস্পতি দুর্বল হলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু মনে রাখবেন, বাস্তু দোষও বিবাহে বিলম্বের অন্যতম কারণ। ঠিক সময়ে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ঘরের অমিল দিক নির্দেশ বা ভুল শয়নকক্ষ। তবে বাস্তুশাস্ত্রে রয়েছে এর সহজ প্রতিকার, যা দূর করতে পারে এই সমস্যা।
ফাইল ছবি
সঠিক দিক নির্দেশ
বিবাহযোগ্য যুবক বা যুবতীদের জন্য শোওয়ার ঘর নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তু অনুযায়ী, গৃহের উত্তর-পশ্চিম অর্থাৎ 'বায়ব্য কোণ' তাঁদের শয়নকক্ষের জন্য সবচেয়ে শুভ। তা সম্ভব না হলে উত্তর দিকে বা ঈশান কোণের উত্তর-পশ্চিম অংশে শোওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। অন্য দিকে, দক্ষিণ বা নৈঋত্য কোণে ঘুমালে বিয়ের কথায় বারবার বিঘ্ন ঘটতে বাধ্য।
ঘরের রং ও সাজসজ্জা
শয়নকক্ষের রং হওয়া উচিত হালকা ও মনোরম। হালকা গোলাপি রং ঘরের আবহ সুন্দর রাখে। তবে গাঢ় নীল, বাদামি বা কালো রং এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এগুলি ঘরে নেতিবাচক প্রভাব বৃদ্ধি করে। দেওয়ালে রাখতে পারেন রাধা-কৃষ্ণ, শিব-পার্বতী কিংবা কোনও সুখী দম্পতির ছবি। শয়নকক্ষের ঠিক বাইরে টাঙাতে পারেন পিওনি ফুলের ছবি। বাস্তুতে একে শুভ বিবাহের প্রতীক বলে মনে করা হয়।
শুভ বস্তুর প্রয়োগ
পারিবারিক ও মানসিক মেলবন্ধন মজবুত করতে শয়নকক্ষে রাখা যেতে পারে এক জোড়া ম্যান্ডারিন হাঁসের মূর্তি। ঘরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে দুটি ‘অ্যাক্টিভেটেড ক্রিস্টাল’ রাখলেও মিলতে পারে ভালো ফল। তবে মনে রাখবেন, দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ছুরি, কাঁচি বা কোনও ধারালো জিনিস রাখা একেবারেই নিষেধ।
বিছানার অবস্থান ও সতর্কতা
বিছানা কখনও দেওয়ালে একদম ঘেঁষে রাখা উচিত নয়। ঘরের বিমের ঠিক নিচে ঘুমোনো মানসিক উদ্বেগের সৃষ্টি করে, যা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে বাধা তৈরি করে। বাস্তুর এই ছোট ছোট নিয়ম মেনে চললে দূর হতে পারে বিবাহের বাধা।
