মাথায় চিরুনি ঠেকালে একটা-দুটো চুল ওঠা স্বাভাবিক। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আজকাল চুল পড়া একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তার থেকেও বড় সমস্যা হল এই চুলগুলো যখন ঘরের আনাচে-কানাচে জমতে থাকে। ঘর পরিষ্কার করার পরও অনেকসময় অসাবধানে যত্রতত্র চুল থেকে যায়। বাস্তুমতে, ঘরে এধরনের চুল পড়ে থাকা অশুভ।
ফাইল ছবি
কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?
বাস্তুবিদদের মতে, ঝরে পড়া চুলের সঙ্গে রাহু ও শনির এক নিবিড় সংযোগ রয়েছে। মানুষের ব্যক্তিত্ব এবং গ্রহগত শক্তির এক বড় অংশ বহন করে এই চুল। তাই চুল যেখানে সেখানে ফেলা মানেই নেতিবাচক শক্তিকে ঘরের ভেতর আমন্ত্রণ জানানো। যে অভ্যাস বদলে দিতে পারে আপনার ভাগ্যের চাকা।
কী কী সমস্যা হতে পারে?
হুটহাট ঘরের মেঝেতে চুল ফেলে রাখলে সবার আগে টান পড়ে পকেটে। বাস্তু বলছে, এর ফলে সংসারে লক্ষ্মীলাভে বাধা আসে। বাড়ে অপ্রত্যাশিত খরচের বহর। শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, শনির কুপ্রভাবে বাড়তে পারে মানসিক অস্থিরতাও। বাড়ে অকারণ ভয়, উদ্বেগ আর গভীর দুশ্চিন্তা। চিরুনিতে ওঠা চুল ঘরের স্বাভাবিক পরিচ্ছন্নতা তো নষ্ট করেই, পাশাপাশি তার কুপ্রভাব পড়ে সম্পর্কের দেওয়ালে। ঘরের চর্তুদিকে ছড়িয়ে থাকা চুল পারিবারিক শান্তি শুষে নেয়। সামান্য কারণে শুরু হয় খিটখিট, দানা বাঁধে ভুল বোঝাবুঝি।
ফাইল ছবি
অনেকে আবার উপার্জনের আশায় দীর্ঘদিন ধরে ঝরে যাওয়া চুল জমিয়ে রাখেন। এই অভ্যাসও কিন্তু বাস্তুমতে ঘোর অমঙ্গলজনক। জমে থাকা চুলে ধুলো-ময়লা জমে স্বাস্থ্যের ক্ষতি তো হয়ই, সঙ্গে বাড়ে রাহুর প্রকোপ। আরও একটি বড় আশঙ্কা প্রকাশ করে জ্যোতিষশাস্ত্র। খোলা জায়গায় পড়ে থাকা চুল অনেক সময় তন্ত্র-মন্ত্র বা অসৎ উদ্দেশ্যে অপব্যবহার হতে পারে। তাই এই বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। নিজের মানসিক শান্তি ও সংসারের শ্রীবৃদ্ধি বজায় রাখতে আজই সতর্ক হন। চুল যত্রতত্র না ফেলে, তা সবসময় মুড়িয়ে একটি নির্দিষ্ট নিরাপদ স্থানে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
