কদিন ধরে বাড়ির লোকেদের সঙ্গে বারেবারে বাগবিতণ্ডায় জড়াচ্ছেন? বেহিসেবি খরচ হয়ে যাচ্ছে, শরীরও যেন বাড়ি ফিরলেই বেশি দুর্বল লাগছে। বাস্তুশাস্ত্রমতে, বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জির প্রকোপ বাড়লে, এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাড়ির দেওয়াল, জানলা-দরজা, এমনকী ঘরের যেকোনও আসবাব শুভ ও অশুভ- দুই ধরনের এনার্জিই শোষণ করে নেয়। আর তাই শরীরের মতো বাড়িরও প্রয়োজন হয়ে পড়ে ডিটক্স অর্থাৎ শুদ্ধিকরণের।
কিন্তু গাদা খরচপাতি না করে, ঘরে বসেই কি করে সারানো যায় এই সমস্যা? উত্তর রয়েছে একমুঠো নুনে! বাস্তুশাস্ত্র বলছে, নুনের যথাযথ ব্যবহার করলে বাড়ির চৌহদ্দি থেকে দূর হবে যেকোনও অশুভ শক্তির উৎস।
ঘরের কোণে রাখুন লবণের বাটি
বাড়ির যে ঘরটিতে গেলে মনখারাপ বাড়ছে বা শারীরিক অস্বস্তি অনুভব হচ্ছে, সে-ঘরের চারকোণে রাখুন লবণের বাটি। ছোট বাটি ভর্তি সৈন্ধব লবণ অথবা রক সল্ট রাখা থাক চব্বিশ ঘণ্টার জন্য। মনে মনে বলুন, এই লবণ যেন সমস্ত অশুভ শক্তি শুষে নেয়। তারপর বহমান জলে ঢেলে দিন বাটির নুন।
ঘর মুছুন নুন-জলে
ঘর মোছার জলে এক টেবিল-চামচ নুন মিশিয়ে দিন। এতে নেগেটিভ এনার্জি দূর হওয়ার পাশাপাশি, পোকামাকড়ের প্রকোপও কমে।
ব্যবহার করুন সল্ট-ল্যাম্প
অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায় ‘হিমালয়ান সল্ট ল্যাম্প’। তেমন বাতি কিনে নিতে পারেন, অথবা এমনিই ছোট এক পুঁটুলিতে লবণ বেঁধে, তা বিছানার মাথার কাছে রাখতে পারেন। এতে মানসিক শান্তি আসে। ঘুম হয় গভীর।
দরজার কাছেই থাকুক লবণ
বাড়ির প্রবেশপথেই একপাশে ছোট কৌটো ভরে নুন রাখতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে, বাইরে থেকে যারা প্রবেশ করছেন, তাঁদের চোখে যেন এই কৌটোটি না পড়ে। প্রতি ৭-১০ দিন অন্তর বদলে ফেলুন কৌটোর লবণ। এতে প্রবেশের সময়েই বাধা পাবে যেকোনও রকমের অশুভ শক্তি।
বাস্তুমতে, লবণ হল শুদ্ধতার প্রতীক। সামান্য লবণ সঠিক জায়গায় রাখলে যদি তা প্রভাবিত করে বাড়ির সার্বিক বাস্তুকে, তবে মন্দ কী?
