বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি: ভারী বৃষ্টি চলছেই উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকায়। তার মধ্যেই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বেশিরভাগ এলাকাতেই চলাচলের রাস্তা পর্যন্ত নেই। পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরি করার কাজ চলছে। লাচেনে এখনও আটকে রয়েছেন ১১৩ জন পর্যটক। তাঁদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। সেনাবাহিনী তাঁদের কাছে পৌঁছেছেন। স্যাটেলাইট ফোনের সাহায্যে পর্যটকররা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন। সেনারাও উদ্বিগ্ন পরিবারগুলিকে আশ্বস্ত করছেন।
লাচেন ভূমিধসে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। সেখানকার গ্রামগুলিতে পৌঁছনোর জন্য পায়ে হেঁটে চলাচলের রাস্তা প্রাথমিকভাবে তৈরি করা হয়েছে। সেই পথ দিয়েই ত্রাণ, পানীয় জল নিয়ে গ্রামের পথে যাচ্ছেন সেনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সদস্যরা। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি স্থানীয়দের মধ্যে ত্রাণও বিলি করা হয়েছে। লাচেন থেকে এখনও অবধি ৩০ জনকে কপ্টারে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। যে সব পর্যটকরা আটকে তাঁদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও আছেন। ফলে তাঁদেরও দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এদিকে চাটেনে ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশিও জারি রয়েছে। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য অভিযানে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।
ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন সেনা জওয়ানরা।
একটানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং ব্যাপক ভূমিধসের জেরে রাজ্যের অন্য অংশের সঙ্গে লাচেন পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়া এবং দুর্গম এলাকা হলেও সেনাবাহিনী চাটেন থেকে লাচেনে যাতায়াতের হাঁটাপথ তৈরি করেছে। চাটেনে ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশিও জারি রয়েছে। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য অভিযানে ধারাবাহিকতা রক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়া এবং দুর্গম এলাকায় উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাওয়া রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং হয়েছে।
