আইএস (ইসলামিক স্টেট) যোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেপ্তার ডাক্তারি পড়ুয়া। ১৯ বছরের ওই যুবক ইন্টারনেট মাধ্যমে আইসিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গিদমন শাখার (এটিএস) কর্তারা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের নাশকতার ছক কষছে মধ্যপ্রাচ্যের কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনটি। এর জন্যে অনলাইন মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম হরিশ আলি। বাড়ি সাহারানপুর জেলায়। ভারতে আইএসের অনলাইন মডিউল সংক্রান্ত তদন্ত চালাতে গিয়ে তদন্তকারীদের নজরে পড়ে যান বিডিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হরিশ। সে অনলাইন মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার মোরাদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়ে ডাক্তারি (ডেন্টাল) পড়ুয়াকে। সামাজিক মধ্যমে এবং অ্যাপ ব্যবহার করে আইএসের ডিসকোর্সের উপভোক্তা হয় হরিশ। কার্যত ভারচুয়াল মাধ্যমে জঙ্গি হওয়ার প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল ১৯ বছরের যুবক।
প্রসঙ্গত, ভারতের গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী উত্তর প্রদেশ-সহ দেশের অন্যান্য অংশে আইএস-এর আদর্শ প্রচারে একটি অনলাইন গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে। তারাই ভারতে জঙ্গি সংগঠনটিকে শক্তিশালী করতে তরুণদের জেহাদে উদ্বুদ্ধ করে নিয়োগ করছে। অভিযোগ, এই গোষ্ঠীগুলি আইএস-এর কার্যকলাপ সম্পর্কিত প্রচারণা সামগ্রী, যেমন চরমপন্থী সাহিত্য এবং নির্দেশাবলী আদান-প্রদানের কাজ করছে। এদের ফাঁদেই পড়েন মোরাদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া যুবক।
