রবিবার বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন দেশে সাতটি হাই স্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু হাইস্পিড ট্রেন হলেই তো হবে না, তার জন্য চাই পৃথক রেলপথ। সোমবার সেই রেলপথ নির্মাণের ঘোষণা করল রেলমন্ত্রক। রেলমন্ত্রী জানালেন, হাইস্পিড ট্রেন চালানোর জন্য দেশজুড়ে এমন ৭ জোড়া রেলপথ তৈরি করা হবে।
সোমবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, বুলেট ট্রেনের গতি অন্য ট্রেনের তুলনায় অনেক বেশি। এই ট্রেন ছুটবে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার বেগে। তাই সাধারণ রেললাইন ও যে জমিতে রয়েছে সেই লাইন, তা অত গতিতে ছুটে যাওয়া ট্রেনের জন্য উপযুক্ত নয়। এই কারণেই দেশজুড়ে তৈরি হচ্ছে সাতজোড়া রেলপথ। ভবিষ্যতে এই হাইস্পিড বুলেট ট্রেন যাবে অসমের গুয়াহাটি পর্যন্ত।
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলার জন্য এবার প্রায় ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। গতবারের তুলনায় যা ২৫০ কোটি টাকা বেশি।
সোমবার রেলভবনে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বাংলার জন্য এবার প্রায় ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। গতবারের তুলনায় যা ২৫০ কোটি টাকা বেশি। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এবার রেলমন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২ লক্ষ ৭৮ হাজার কোটি টাকা, যা আগের অর্থবর্ষের তুলনায় ১০.৮ শতাংশ বেশি। প্রতিবারের মতো, এবারও কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারণ নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রেলমন্ত্রী।
ডানকুনি-সুরাত ফ্রেট করিডোর প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী জানান, এই নতুন পণ্য পরিবহণ করিডোর ডানকুনির সঙ্গে গুজরাতের পাশাপাশি ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রকে সংযুক্ত করবে। অন্যদিকে, ট্রেনে কাটা পড়ে হাতি মৃত্যুর ঘটনা রোধে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। অপটিকাল ফাইবার কেবল এবং এআই বেসড ক্যামেরার মাধ্যমে হাতির গতিবিধি নজর রাখা এবং ট্রেনে কাটা পড়ার ঘটনা রোধে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিচ্ছে রেল।
