মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে ফের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ৮ জনের। মঙ্গলবার সকালে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বিহারের নালন্দায়। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। জানা যাচ্ছে, স্থানীয় এক শীতলা মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত ও আহতরা সকলেই মহিলা বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতি মঙ্গলবার নালন্দার ওই শীতলা মন্দিরে প্রচুর পুণ্যার্থী পুজো দিতে আসেন। এদিন চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার হওয়ায় মাত্রাছাড়া ভিড় হয়েছিল ওই মন্দিরে। ভিড়ের চাপ বেশি হওয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় ওই এলাকায়। ছোটাছুটি শুরু করেন পুজো দিতে আসা মহিলারা। এই অবস্থায় সরু গলি দিয়ে হুড়োহুড়ি করে বেরনোর সময় অনেকেই মাটিতে পড়ে যান। ভিড়ের চাপে মৃত্যু হয় ৮ জনের। অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রতি মঙ্গলবার নালন্দার ওই শীতলা মন্দিরে প্রচুর পুণ্যার্থী পুজো দিতে আসেন। এদিন চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার হওয়ায় মাত্রাছাড়া ভিড় হয়েছিল ওই মন্দিরে।
স্থানীয়দের তরফে জানা যাচ্ছে, প্রচুর মানুষের ভিড় জমলেও মন্দির চত্বরে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা ছিল না। স্থানীয় প্রশাসন অবশ্য জানত মঙ্গলবার অন্যান্য দিনের তুলনায় এখানে অনেক বেশি ভিড় হবে। যে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী সেখানে ছিলেন তাঁদের পক্ষে এই ভিড় সামাল দেওয়া কোনওভাবেই সম্ভব ছিল না। যার জেরেই এই দুর্ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের উদ্দেশে শোকপ্রকাশ ও আহতদের আরোগ্য কামনা করে মৃতদের পরিবারকে লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য ও আহত ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনায় ফের একবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দেশের মন্দিরগুলিতে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে। গত বছর অন্ধ্রপ্রদেশে শ্রী ভেঙ্কেটেশ্বর স্বামী মন্দিরে ঠিক একইভাবে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৯ জনের। যার বেশিরভাগই ছিলেন শিশু ও মহিলা। পাশাপাশি দেশের নানা প্রান্তে মন্দিরে এই ধরনের দুর্ঘটনার খবর সামনে আসে।
