shono
Advertisement
Cockroach Janata Party

ককরোচ জনতা পার্টি কি এবার ভোটের ময়দানে? অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ

সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন। যুবসমাজের ইস্যু নিয়ে পথে নেমে আন্দোলন। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে গণআন্দোলনের ডাকও দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু এরপর কী?
Published By: Subhajit MandalPosted: 08:52 PM Jun 16, 2026Updated: 08:52 PM Jun 16, 2026

সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন। যুবসমাজের ইস্যু নিয়ে পথে নেমে আন্দোলন। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে গণআন্দোলনের ডাকও দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু এরপর কী? পুরোদস্তুর রাজনৈতিক দল খুলে ভোটের ময়দানে নামা? নাকি এভাবেই বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও প্রশাসনকে আয়না দেখানো? কী চাইছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা? অবশেষে ইঙ্গিত দিলেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

Advertisement

তাঁর দল নির্বাচনে লড়বে কিনা, সে প্রশ্ন অভিজিৎ বলছেন, "আমাদের ভোটে লড়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে? এই দেশে প্রত্যেককে যদি নিজেদের অধিকার অর্জনের দাবিতে ভোটে লড়তে হয়, তাহলে চলবে কীভাবে?"

মঙ্গলবার সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ইঙ্গিত দিলেন, তাঁরা এভাবেই বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে চান। নির্বাচনে লড়াই করার বিশেষ ইচ্ছা তাঁদের নেই। লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আরএসএস তথা বিজেপির সমালোচনা করলেও অভিজিৎ দীপকের কথায় ইঙ্গিত, যে জনসমর্থন তিনি পাচ্ছেন, সেটাকে ভোটের বাক্সে নিয়ে ফেলার কোনও ইচ্ছা আপাতত তাঁর নেই।

তাঁর দল নির্বাচনে লড়বে কিনা, সে প্রশ্ন অভিজিৎ বলছেন, "আমাদের ভোটে লড়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে? এই দেশে প্রত্যেককে যদি নিজেদের অধিকার অর্জনের দাবিতে ভোটে লড়তে হয়, তাহলে চলবে কীভাবে?" এদিন ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, "বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে কিছু ঘটলে প্রধানমন্ত্রীজি টুইট করেন, অথচ দেশে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করছেন, তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই।" অভিজিতের সাফ কথা, নিট কেলেঙ্কারির পর যে পাঁচ-ছ’জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে আগে দেখা করা উচিত প্রধানমন্ত্রীর। সোমবার যে তাঁকে প্রকাশ্যে চড়চাপড় মারা হয়েছে, সেটার জন্য আরএসএসকে দায়ী করেছেন অভিজিৎ। তাঁর বক্তব্য, "যখনই কেউ এই সরকার বা তাদের আদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাঁদের আক্রমণ করা হয়।"

অভিজিতের দল যদি ভোটের ময়দানে না নামে তাহলে খানিকটা স্বস্তি পাবে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই। কারণ এই ককরোচ পার্টি যদি ভোটে নামে, তাহলে জেন জির সমর্থনে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের বহু অঙ্কই বদলে যেতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement