shono
Advertisement
Delhi Gymkhana Club

২ সপ্তাহে তল্পিতল্পা গোটাতে হবে! দিল্লির শতাব্দী প্রাচীন জিমখানা ক্লাবকে উচ্ছেদ নোটিস কেন্দ্রের

আগামী ৫ জুন এই মালিকানা গ্রহণ কপ্রবে জমি ও উন্নয়ন দপ্তর। ক্লাব কর্তৃপক্ষ যদি শান্তিপূর্ণভাবে জমি হস্তান্তর না করে সেক্ষেত্রে সরকার আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 09:25 PM May 23, 2026Updated: 09:25 PM May 23, 2026

১১৩ বছরের পুরনো অভিজাত দিল্লির জিমখানা ক্লাবের জমি পুনরুদ্ধারের নির্দেশ কেন্দ্রীয় সরকারের। লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবকে শুক্রবার নোটিস পাঠিয়েছে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীন 'ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট' অফিস। যেখানে বলা হয়েছে, ৫ জুনের মধ্যে ২৭.৩ একরের বিরাট এই জমি তুলে দিতে হবে সরকারের হাতে।

Advertisement

সেই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, দেশের রাজধানীর সংবেদনশীল এবং কৌশলগত এলাকার মধ্যে ওই ক্লাবটি রয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ওই জমির প্রয়োজন রয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সফদরজং রোডের ওই জমি আসলে ব্রিটিশ আমলে ইজারা দেওয়া হয়েছিল ইম্পেরিয়াল দিল্লি জিমখানা ক্লাব লিমিটেডকে। বর্তমানে যা পরিচিত দিল্লি জিমখানা ক্লাব নামে। সামাজিক মেলামেশা ও খেলাধুলার জন্য দেওয়া হয় জমিটি। কিন্তু জনস্বার্থে ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্পের কারণে জমির প্রয়োজন। যার জেরে অতীতের চুক্তিতে ইতি টানা হচ্ছে। ফলে ওই জমিতে থাকা সমস্ত কিছুর মালিকানা এখন রাষ্ট্রপতির। আগামী ৫ জুন এই মালিকানা গ্রহণ কপ্রবে জমি ও উন্নয়ন দপ্তর। ক্লাব কর্তৃপক্ষ যদি শান্তিপূর্ণভাবে জমি হস্তান্তর না করে সেক্ষেত্রে সরকার আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

১৯১১ সালে ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে সরিয়ে দিল্লি আনার সিদ্ধান্ত নেন রাজা পঞ্চম চার্লস। সেই সময় ব্রিটিশ আধিকারিকদের আমোদ-প্রমোদের জন্য তৈরি হয় ক্লাবটি। ১৯১৩ সালে চালু হয় জিমখানা ক্লাব।

ভারতের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাব। ১৯১১ সালে ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে সরিয়ে দিল্লি আনার সিদ্ধান্ত নেন রাজা পঞ্চম চার্লস। সেই সময় ব্রিটিশ আধিকারিকদের আমোদ-প্রমোদের জন্য তৈরি হয় ক্লাবটি। ১৯১৩ সালে চালু হয় জিমখানা ক্লাব। ক্লাবটির নকশা তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশ স্থপতি রবার্ট টি রাসেল। কমান্ডার ইন-চিফ’স রেসিডেন্সের নকশাও তাঁর হাতে তৈরি। পরে যা হয়ে ওঠে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বাসভবন।

জানা যায়, এই ক্লাবে সুইমিং পুল তৈরির জন্য ১৯৩০ সালে ২১ হাজার টাকা দিয়েছিলেন খোদ ভাইসরয়ের স্ত্রী লেডি উইলিংটন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় এই ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে একে অপরকে বিদায় জানান শিখ, হিন্দু, মুসলিম বাহিনীর অফিসারেরা। অবশেষে ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাব নিজেদের অধীনে নিতে চলেছে ভারত সরকার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement