ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে ভারত। দেশে বাড়ছে পেট্রল-ডিজেল-সিএনজির দাম। এই পরিস্থিতিতে ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। শনিবার তিনি দিল্লিতে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সঙ্গে। সূত্রের খবর, জ্বালানি সংকটে আমেরিকা যে ভারতের পাশে রয়েছে, সেকথা ব্যক্ত করেছেন রুবিও। শুধু তা-ই নয়, প্রধানমন্ত্রীকে হোয়াইট হাউসেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন বিদেশ সচিব।
জানা গিয়েছে, এদিন মোদির সঙ্গে বৈঠকে জ্বালানি ছাড়াও নিরাপত্তা, বাণিজ্য থেকে শুরু করে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু’পক্ষের। ভারত সফরের আগে রুবিও নয়াদিল্লিকে প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী হিসাবে আমেরিকার ভূমিকা সম্প্রসারণের অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছিলেন। ভারতকে তার অপরিশোধিত তেলের চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। তার অধিকাংশই হরমুজ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেশে আসে। কিন্তু বর্তমানে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে হরমুজ। এর জেরে উদ্বেগ বাড়ছে। এদিন রুবিও জানিয়েছেন, আমেরিকা ভারতের জ্বালানি সরবরাহে বৈচিত্র্য আনার সম্ভাবনা রাখে। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানকে কোনওভাবেই জ্বালানি বাজার স্তব্ধ রাখতে দেবে না ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে, রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলেও পোস্ট করেছেন। লিখেছেন, 'মার্কিন বিদেশ সচিবের সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ইরান যুদ্ধও। এদিকে আগামী মাসের ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-৭ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা মোদি এবং ট্রাম্পের। সূত্রের খবর, সেখানেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন দুই রাষ্ট্রনেতা। যদি বৈঠকটি হয়, তাহলে গত দেড় বছরের মধ্যে এই প্রথমবার মুখোমুখি বসবেন মোদি এবং ট্রাম্প। শেষবার ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে তাঁরা বৈঠক করেছিলেন।
