বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক থেকে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের কথা। ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। শুরু করেন অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে রাজ্যের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু কর্মকাণ্ডের প্রশংসায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
নিজের সংসদীয় কেন্দ্রে জনসভা থেকে শাহ জানিয়েছেন, যে সব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও একই ঘোষণা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার গান্ধীনগরে একটি সভা থেকে শাহ বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় সীমান্তে প্রতিদিন অনুপ্রবেশ চলত। আমাদের সরকার আসতেই তা পরিবর্তন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েই শুভেন্দু অধিকারী কড়া ব্যবস্থা নিয়েছেন অনুপ্রবেশ রুখতে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।" নিজের সংসদীয় কেন্দ্রে জনসভা থেকে শাহ জানিয়েছেন, যে সব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও একই ঘোষণা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, যাঁরা সিএএ অন্তর্ভুক্ত নন, তাঁদের গ্রেপ্তার করে সরাসরি তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে।
সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত বিএসএফকে মোট ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি জমি দেওয়া হয়েছে মুর্শিদাবাদেই। কোন জেলায় ঠিক কত পরিমাণ জমি দেওয়া হয়েছে, বুধবার রাতে তা-ও নিজের ফেসবুক হ্যান্ডলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে জনবিন্যাসের চরিত্রের বদল খতিয়ে দেখতে কমিটি মঙ্গলবার উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করেছেন শাহ। প্রসঙ্গত, আগামী মাসেই সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে বঙ্গে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
