দেরাদুনে 'জেহাদি মাদকচক্রে'র পর্দাফাঁস। 'অপারেশন রাজেপিল' চালিয়ে ২২৭.২ কেজি ক্যাপ্ট্যাগন ট্যাবলেট এবং পাউডার উদ্ধার করল পুলিশ ও কেন্দ্রের মাদক নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (এনসিবি)। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই অভিযুক্তকে। তাঁদের মধ্যে একজন সিরিয়ার নাগরিক।
সিরিয়ান নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দিল্লির নেব সরাই থেকে উদ্ধার হওয়া ক্যাপ্ট্যাগন ট্যাবলেট উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের কারখানাতেই তৈরি হয়েছিল। যা তৈরিতে সাহায্য করেন আরেক সিরিয়ান নাগরিক। জানা গিয়েছে, ১৬ মে রাতে দেরাদুনের মেসার্স গ্রিন হার্বাল নামের একটি ওষুধের কারখানায় অভিযান চালা এনসিবি। তল্লাশি অভিযানে গোয়েন্দারা বড় আকারে অবৈধ মাদক উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেন। যার মধ্যে রয়েছে ট্যাবলেট তৈরি, গ্র্যানুলেশন, ক্যাপসুল ভর্তি, কোটিং, সিলিং এবং ব্লিস্টার প্যাকেজিং মেশিন। কর্তৃপক্ষ কারখানা চত্বর থেকে কাঁচামাল, রাসায়নিক পদার্থ, ক্যাপসুল ও প্যাকেজিং সামগ্রীও উদ্ধার করেছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জেনেবুঝেই অবৈধ মাদক তৈরির জন্য কারখানাটি ভাড়ায় দিয়েছিলেন মালিক। ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৫০,০০০ টাকা আদায় করতেন। কর্মকর্তারা আরও জানান, কারখানার মালিক এর আগেও ট্রামাডল এবং অন্য ট্যাবলেট সরবরাহ সংক্রান্ত দু'টি পৃথক মাদক মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। যেগুলোর তদন্ত করেছিল দেরাদুন পুলিশ এবং এনসিবি-র দিল্লি জোনাল ইউনিট। অভিযুক্ত কারখানার মালিককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
