অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ক্রমশ আগ্রাসন বাড়াচ্ছে চিন সেনা। কিন্তু লালফৌজের সেই সক্রিয়তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তা আগে থেকেই জেনে যাচ্ছে ভারত। তার ফলে তা রুখে দিতে উপযুক্ত পদক্ষেপও করা সম্ভব হচ্ছে। এমনটাই জানালেন ভারতীয় সেনার স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের কমান্ডার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং রানা।
এআই প্রযুক্তিতে কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, আমেরিকা এবং চিন এআই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকার যুদ্ধে নেমে গিয়েছে।
গত সোমবার থেকে দিল্লি 'ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬' শুরু হয়েছে। সেই সম্মেলনে হাজির হয়ে এ কথা জানিয়েছেন দীনেশ। তিনি জানান, সাম্প্রতিক কালে জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত বিষয় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এআই। স্থানীয় ভাবে তৈরি এবং খুবই কম খরচের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই অরুণাচল প্রদেশের চিনা ফৌজের সক্রিয়তা সম্পর্কে জানতে পেরেছে ভারতীয় সেনা। সেনা আধিকারিকের কথায়, "এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা জানতে পেরেছি, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিন সেনা কিছু একটা নির্মাণ করছে।" চিন সেনার এই সক্রিয়তাকে 'নজিরবিহীন' আখ্যা দিয়ে দীনেশ জানান, ভারতও যথাযথ পদক্ষেপ করেছে। সময় মতো নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
এআই প্রযুক্তিতে কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, আমেরিকা এবং চিন এআই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকার যুদ্ধে নেমে গিয়েছে। দীনেশ বলেন, "এআই প্রযুক্তি খুব সহজেই বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার খামতি চিহ্নিত করতে পারে। এতে বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে তো সুবিধা হয়ই। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থারও উন্নতি হয়।"
