বাংলার পাশাপাশি যে রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন, সেগুলির মধ্যে অসমে সবচেয়ে বেশি নজর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের। হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজ্যে ভালোরকম সংগঠন রয়েছে তৃণমূলের। একটা সময় অসমের স্থানীয় নির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার নজিরও রয়েছে তৃণমূলের। তবে সেই অসমে এবার প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সচেতন তৃণমূল। কোনওভাবেই যাতে বিজেপি সুবিধা না পায়, সেদিকে নজর রাখছে জোড়াফুল শিবির।
অসমের দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূল নেতারা। ফাইল ছবি।
অসম তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, সে রাজ্যে ৫১টি আসনে লড়াই করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। এই ৫১ আসনের জন্য ৭৮ জন আগ্রহী প্রার্থী আবেদন করেছেন। তাঁদের তালিকা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়পত্র দিলেই সেই তালিকা ঘোষণা করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৫১ আসনে লড়ার কথা ঠিক হলেও পরে কৌশল বুঝে সংখ্যা কমানো হতে পারে। সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, বিজেপিই অসমে তৃণমূলের পয়লা নম্বর শত্রু। তাই এমন কোনও আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে না যাতে বিজেপির সুবিধা হয়।
অসম তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, সে রাজ্যে ৫১টি আসনে লড়াই করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। এই ৫১ আসনের জন্য ৭৮ জন আগ্রহী প্রার্থী আবেদন করেছেন। তাঁদের তালিকা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আসলে অসমে এবার মূল লড়াই বিজেপি জোট এবং কংগ্রেস জোটের। তৃণমূল কোনও জোটে নেই। বলা ভালো, কংগ্রেসের তরফে তৃণমূলকে জোটে নেওয়ার ব্যাপারে কোনওরকম আগ্রহ দেখানো হয়নি। তাতে খানিকটা হতাশ সুস্মিতা। তিনি বলছিলেন, অসমের রাজনীতিতে বড়সড় সাংগঠনিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও বিরোধী জোট তাদের সেভাবে গুরুত্ব না দিয়ে ভুল করছে। অখিল গগৈ, লুরিনজ্যোতি গগৈয়ের দলের থেকেও তৃণমূল শক্তিশালী।
অসম তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা দুলু আহমেদ বলছিলেন, আমাদের প্রধান শত্রু বিজেপি। কংগ্রেস জোটের শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছে বা জেতার সম্ভাবনা রয়েছে এমন আসনে আমরা প্রার্থী দেব না। বিজেপির যাতে কোনওভাবেই সুবিধা না হয়, সেটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।" আপাতত তৃণমূলের লক্ষ্য অসম-সহ গোটা উত্তরপূর্বে সংগঠন আরও শক্তিশালী করা।
