shono
Advertisement
Assam

স্ত্রীর মাথা কেটে ফ্রিজে, চলন্ত পুলিশভ্যান থেকে লাফ দিয়ে মৃত্যু অসমের সেই যুবকের

গুয়াহাটি পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার ভোরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর রামানুজকে হাতিগাঁও থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। অভিযোগ, তখনই পুলিশ ভ্যানের মধ্যে পুলিশকর্মীদের উপর হামলা চালান রামানুজ, চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেন।
Published By: Kishore GhoshPosted: 02:34 PM Sep 14, 2026Updated: 03:30 PM Sep 14, 2026

স্ত্রীকে খুন করে তাঁর মাথা ফ্রিজে রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল স্বামী রামানুজ গোস্বামীর বিরুদ্ধে। জেল থেকে ছাড়া পেলে ‘সুগার ড্যাডি’কেও খুন করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ৩০ বছর বয়সি ওই যুবক। সোমবার চলন্ত পুলিশভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে মৃত্যু হল তাঁর।

Advertisement

গুয়াহাটি পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার ভোরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর রামানুজকে হাতিগাঁও থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখনই পুলিশভ্যানের মধ্যে পুলিশকর্মীদের উপর হামলা চালান তিনি। এরপর নরকাসুর পাহাড় এলাকায় চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ মারেন অভিযুক্ত যুবক। রাস্তার পাশের একটি গিরিখাতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পুলিশকর্মীরাই রামানুজকে উদ্ধার করে জিএমসিএইচ হাসপাতালে ভর্তি করেন। যদিও চিকিৎসকরা জানান, ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে যুবকের।

২৫ বছরের রিয়াকে খুনের পরেই বাড়ি ছেড়েছিলেন অভিযুক্ত রামানুজ। দু’দিন ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর আত্মসমর্পণ করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে গুয়াহাটি আদালতে পেশ করে পুলিশ। সেই সময় সংবাদিকদের রামানুজ বলেন, "স্ত্রীকে খুন করেছি। এবার জেল থেকে বেরিয়ে ‘সুগার ড্যাডি’কেও খুন করবেন।" পালটা সাংবাদিকরা জানতে চান, কে এই ‘সুগার ড্যাডি’। সেই উত্তর অবশ্য দেননি রামানুজ। এইসঙ্গে আদালতে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে কাজ করেছেন, তাঁর জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন।

২৫ বছর বয়সি রিয়া তালুকদারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল রামানুজন গোস্বামীর। তাঁরা হাতিগাঁও অঞ্চলে থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, ঘটনার দিন রাতে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। ক্রমে তা প্রবল আকার ধারণ করে। রামানুজ রাত আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে দাবি আশপাশের বাসিন্দাদের। পরদিন রাতের দিকে বাড়ি থেকে পচা গন্ধ বেরচ্ছিল। দ্রুত খবর যায় পুলিশে। পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হলে দেখা যায়, রিয়ার মাথা কালো প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে। দেখা যায় মহিলার হাতের আঙুলও কাটা।

জানা গিয়েছে, ফ্যান্সি বাজারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেটে কাজ করতেন রিয়া। তাঁর মা-বাবা জীবিত নেই। আত্মীয় বলতে একমাত্র ভাই। প্রাথমিক তদন্তে একমাত্র সন্দেহভাজন রামানুজ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, রিয়ার খুনের ঘটনায় ফিরেছে শ্রদ্ধা ওয়াকারের খুনের বীভৎস স্মৃতি। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরো করার অভিযোগ উঠেছিল প্রেমিক আফতাবের বিরুদ্ধে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement