রবিবার ছুটির সকালে বৃন্দাবনের শ্রী বাঁকে বিহারী মন্দিরে এক আধ্যাত্মিক আবহে ধরা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে এদিন মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন দুই হেভিওয়েট নেতা। বিগ্রহের সামনে নতজানু হয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তাঁরা।
বিজেপির শীর্ষ পদে আসীন হওয়ার পর এই প্রথম ব্রজভূমি সফরে এলেন নীতীন নবীন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী। সূত্রের খবর, প্রদীপ জ্বালিয়ে এবং পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ভগবান বাঁকে বিহারীর বন্দনা করেন তাঁরা। পুজো শেষে যোগী আদিত্যনাথ জানান, তিনি উত্তরপ্রদেশের সমৃদ্ধি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন সফল করার জন্য প্রার্থনা করেছেন। দর্শনের পর মন্দিরের পুরোহিতরা দুই নেতার হাতে প্রসাদ ও আশীর্বাদী বস্ত্র তুলে দেন।
মন্দির থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি সভাপতি সরাসরি যান মাঁট বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ চৌধুরীর বাসভবনে। সম্প্রতি রাজেশের মাতৃবিয়োগ হয়েছে। যোগী ও নীতীন নবীন প্রয়াত বৃদ্ধার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান।
এদিনের এই মন্দির দর্শনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্বদের উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরী এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দুষ্মন্ত গৌতম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী চৌধুরী লক্ষ্মীনারায়ণ, সন্দীপ সিং, মথুরার মেয়র বিনোদ আগরওয়াল এবং রাজ্যসভার সাংসদ তেজবীর সিং। শ্রীকান্ত শর্মা, মেঘশ্যাম সিং ও রাজেশ চৌধুরীর মতো বিধায়কদের উপস্থিতিতে মন্দির চত্বর ছিল নিরাপত্তা বলয়ে মোড়া।
মন্দির থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি সভাপতি সরাসরি যান মাঁট বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ চৌধুরীর বাসভবনে। সম্প্রতি রাজেশের মাতৃবিয়োগ হয়েছে। যোগী ও নীতীন নবীন প্রয়াত বৃদ্ধার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমবেদনা জানান তাঁরা।
