অসম, কেরলম ও পুদুচেরি। একযোগে দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আজ চলছে ভোটগ্রহণ। সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে সন্ধে ছটা পর্যন্ত। অসম এবং পুদুচেরিতে এবার সরাসরি লড়াই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। অন্যদিকে, কেরলে মূল লড়াই বাম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের।
অসমে পরপর দু'বার সরকারে বিজেপি। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। তৃতীয় শক্তি হিসাবে লড়াইয়ে মৌলানা বদরউদ্দিন আজমলের এআইইউডিএফ। মূলত সংখ্যালঘু এলাকায় তাঁর প্রভাব। এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও লড়ছে। তবে সার্বিকভাবে মূল লড়াই গৌরব গগৈয়ের কংগ্রেসের সঙ্গে হিমন্তর বিজেপির। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় অসমে বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, অসমে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। যেভাবে অহমের মূল নিবাসীরা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে, তাতে রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যদিও বিজেপি ১০০ আসন জয়ের টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে।
কেরলমে তথাকথিত ইউডিএফ এবং এলডিএফের লড়াইয়ে এবার দাঁত ফোটাতে মরিয়া বিজেপি। পরপর দু'বার ক্ষমতায় থাকার দরুন পিনারাই বিজয়নের সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা চরমে। তবে বিজয়নের ব্যক্তিগত ক্যারিশমায় আরও একবার সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখছে বামেরা। দেশের এই একটিমাত্র রাজ্যে এখন বাম সরকার। সেখানেও বিজেপি থাবা বসানো শুরু করেছে। এবার কেরলও হাতছাড়া হলে অস্তিত্বের সংকটে পড়তে পারে বামেরা। ফলে কেরলম বামেদের জন্য মরণ-বাঁচন লড়াই।
পুদুচেরিতে এনআর কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির জোট এতদিন ক্ষমতায় ছিল। এবার ওই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন মরিয়া কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। এনডিএর অন্দরের অশান্তিকেই পাথেয় করতে চাইছে তারা। কংগ্রেস-ডিএমকে জোটেও এবার আসনরফা নিয়ে সমস্যা হয়েছে। আবার কংগ্রেস প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামীকে প্রার্থী না করায় দলের অন্দরে কোন্দল রয়েছে। অর্থাৎ সমস্যা দুই শিবিরেই রয়েছে।
