shono
Advertisement
Uttar Pradesh

সাতজন মিলে ধর্ষণ ১৬ বছরের ছাত্রীকে! যোগীরাজ্যে ফের প্রশ্নের মুখে নারী নিরাপত্তা

ঘটনার দু’দিন পরেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই রেস্তোরাঁর মালিক সইফি ওরফে সমীর আহমেদ ছাত্রীটির পরিচিত।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 12:02 PM Apr 09, 2026Updated: 12:02 PM Apr 09, 2026

ফের গণধর্ষণ বিজেপি শাসিত যোগীরাজ্যে। এবার স্কুল-ছাত্রী। অভিযুক্তদের এখনও ধরতে পারেনি উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্কুল-ছাত্রীরাও যোগীরাজ্যে নিরাপদ নয়। দিনের বেলায় ক‌্যাফে-রেস্তোরাঁয় গিয়ে ধর্ষিত হতে হয় সদ‌্য কৈশোরে পা দেওয়া ছাত্রীটিকে।

Advertisement

তদন্তকারী দলের পদস্থ অফিসার জানিয়েছেন, এই মাসের শুরুতে উত্তরপ্রদেশের বরেলির ভোজিপুরা এলাকায় একটি ক‌্যাফে-রেস্তোরাঁর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে সাতজন মিলে ধর্ষণ করে ১৬ বছরের ছাত্রীটিকে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বেশকিছুদিন ধরেই ওই রেস্তোরাঁর মালিক ওই ছাত্রীকে অশ্লীল মন্তব‌্য করছিলেন। প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়াতেই রাগের বশেই গত ২ এপ্রিল সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীটিকে রেস্তোরাঁর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে মালিক ও তার ছয় সঙ্গী মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এমনকী, ধর্ষণের ছবিও তুলে রাখা হয়। হুমকি দেওয়া হয়, এই ঘটনার কথা কাউকে বলে দিলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। পাশাপাশি, ঘটনার কথা জানানো হলে ভিডিও ক্লিপ সোশ‌াল মিডিয়ায় পোস্ট করে ‘ভাইরাল’ করে দেওয়া হবে।

ছাত্রীটিকে রেস্তোরাঁর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে মালিক ও তার ছয় সঙ্গী মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এমনকী, ধর্ষণের ছবিও তুলে রাখা হয়। হুমকি দেওয়া হয়, এই ঘটনার কথা কাউকে বলে দিলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে।

গুরুতর জখম অবস্থায় বাড়িতে ফিরে ছাত্রীটি পুরো ঘটনা তার অভিভাবকদের জানায়। ঘটনার দু’দিন পরেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই রেস্তোরাঁর মালিক ছাত্রীটির পরিচিত। তদন্তকারী দলের অফিসার জানিয়েছেন, রেস্তোরাঁর মালিক সইফি ওরফে সমীর আহমেদ। অন‌্যতম অভিযুক্ত আসাদ হায়দার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যদিও এই ঘটনা ফের প্রমাণ করে, যোগীরাজ্যে নারীদের কোনও সুরক্ষা নেই। সকালে পর্যন্ত স্কুল-ছাত্রী থেকে শুরু করে অন‌্যদের জন‌্য কোনও নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকে না।

এই প্রথম নয়, দিনকয়েক আগেই এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনাস্থল ছিল বালিয়ায়। অভিযোগ ওঠে কিশোরীর গ্রামের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের বান্দা জেলায় এক দলিত কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। কিশোরীকে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। তার পর তাকে একটি সেতুর নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সকলেই নাবালক। নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, কিশোরীকে লক্ষ্য করে কিছু স্প্রে করা হয়েছিল। তার পরই সে জ্ঞান হারায়। তার পর তাকে তুলে নিয়ে যায় তিন জন। একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। অর্থাৎ যোগীরাজ্যে গণধর্ষণ ঘটেই চলেছে। প্রশাসন কোনও কঠোর পদক্ষেপ করে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement