প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার আগেই একটি আসন খোয়াতে হল তামিলনাড়ুর নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকেকে। অভিনেতা বিজয়ের দলের প্রার্থী এম অরুণকুমারের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তামিলনাড়ুর সালেম জেলার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এডাপ্পাডি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন তিনি। তবে মনোনয়নের ভুলের কারণে নির্বাচনে লড়তে পারবেন না তিনি। এদিকে মনোনয়ন স্কুটিনির দিন থেকে প্রার্থীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ দলের।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলে সেই মনোনয়ন পত্রে ১০ জন প্রস্তাবকের সই থাকা বাধ্যতামূলক। তবে জানা যাচ্ছে, অরুণকুমার সেই সংখ্যা পূরণ করেননি। তাঁর মনোনয়নপত্রে ৭ জনের সই ছিল। পাশাপাশি ওই আসনে টিভিকের বিকল্প প্রার্থী ছিলেন এ নিথ্যা। তাঁর মনোনয়নপত্রে ৮ জনের সই ছিল। যার জেরে এডাপ্পাডি কেন্দ্রে প্রার্থীহীন হয়ে পড়েছে টিভিকে। জানা যাচ্ছে, তামিলনাড়ুর এই কেন্দ্র এআইএডিএমকে নেতা কে পালানিস্বামীর শক্ত ঘাঁটি। এবারও এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। সেখানে নির্বাচনী লড়াই থেকে টিভিকে বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মনোনয়ন পত্রে ১০ জন প্রস্তাবকের সই থাকা বাধ্যতামূলক। তবে অরুণকুমারের মনোনয়নপত্রে ৭ জনের সই ছিল।
শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন জানা যায় মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় প্রার্থীর অনুপস্থিত। প্রার্থী নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় দলের কর্মীরা অভিযোগ তোলেন অরুণকুমারকে অপহরণ করা হয়েছে। এহেন ঘটনায় রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান টিভিকে সমর্থকরা। তবে টিভিকে প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলেও ডিএমকে প্রার্থী সি কাসির মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে। যার জেরে এডাপ্পাডি লড়াই হবে ডিএমকে বনাম এডিএমকের মধ্যে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনে বিধানসভা নির্বাচন। ৪ মে দেশের বাকি ৪ রাজ্যের সঙ্গে ফল ঘোষণা হবে এখানেও। এই নির্বাচনেই প্রথমবার লড়াইয়ে নেমেছে 'থলপতি' বিজয়ের দল টিভিকে। তবে তাদের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
