shono
Advertisement
BJP-SAD Alliance

অকালিদের 'গাঁ'য়ের জোর ভেঙে পাঞ্জাব দখলের ছক বিজেপির, বাধা খলিস্তানপন্থী অমৃতপাল!

Published By: Subhajit MandalPosted: 12:31 PM Aug 27, 2026Updated: 01:37 PM Aug 27, 2026

উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুর দিকে যে রাজ্যের নির্বাচনের দিকে বিজেপির নজর সবচেয়ে বেশি সেটা হল পাঞ্জাব। রাজধানী দিল্লির প্রতিবেশী এই রাজ্যে এ পর্যন্ত একার শক্তিতে ক্ষমতা দখল করতে পারেনি বিজেপি। বস্তুত এ পর্যন্ত সে রাজ্যে অকালি দলের ছোট ভাই হিসাবেই কাজ করতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। কিন্তু এবার ছবিটা বদলাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আসলে বিজেপির জন্য সীমান্তবর্তী রাজ্য পাঞ্জাব জয়টাও পশ্চিমবঙ্গ দখলের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওই রাজ্য দখলে রীতিমতো মাস্টারপ্ল্যান ছকে ফেলেছেন অমিত শাহরা।

বিজেপির পরিকল্পনার প্রথম ভাগ হচ্ছে, অকালি দলের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসা। কিছুদিন আগে পর্যন্ত পাঞ্জাবে একা লড়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিল গেরুয়া শিবির। যদিও গত কয়েক সপ্তাহে জাতীয় রাজনীতিতে কিছু পরিবর্তনের জন্য সে পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে। সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা না হলেও বিজেপি যে পাঞ্জাবে অকালিদের সঙ্গে জোট (BJP-SAD Alliance) করেই লড়বে সেটা একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তবে অকালিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়লেও কোনওভাবেই জুনিয়র পার্টনার হিসাবে আর থাকতে রাজি নয় বিজেপি। বরং নিজেদের শক্তি বাড়াতে শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ পাঞ্জাবেও শক্তি বাড়াতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

Advertisement

অকালি-বিজেপি জোটে এতদিন অলিখিত সমঝোতা ছিল, বিজেপি শহরাঞ্চলে বেশি নজর দেবে, আর অকালি দল নজর দেবে গ্রামের দিকে। এবার সেটা বদলাচ্ছে। গ্রামের ভোটারদের মন জয় করতে নিজেদের মতো পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। রাজ্যের ১১৭টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি নেশামুক্তি নিয়ে যাত্রা করবে। প্রচার করা হবে মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের। পাঞ্জাবের মাদক সমস্যা মেটাতে বিজেপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হবে। ভগবন্ত মান সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতিও তুলে ধরা হবে। বস্তুত, এতদিন যে গ্রামাঞ্চলের ভোটে ভর করে বিজেপির উপর 'দাদাগিরি' দেখাতো সেটাতেই এবার থাবা বসাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

কিন্তু বিজেপির এই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পারেন খলিস্তানপন্থী তরুণ অমৃতপাল সিং। আসলে গ্রামীণ পাঞ্জাবে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে অমৃতপালের। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায়। তাঁর সংগঠন ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে, গ্রামে গ্রামে গিয়ে সেখানকের যুবকদের মধ্যে ড্রাগস বিরোধী এবং 'খলিস্তান পন্থী' প্রচার চালায়। তাতে তরুণ সমাজের মধ্যে ভালোরকম সাড়া মিলেছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের দাবি। অমৃতপাল নিজে ২০২৩ সাল থেকে ডিব্রুগড় জেলে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে বন্দি। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে জেল থেকেই জয় পান তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তিনি যে জনপ্রিয় সেটা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিজেপিকে গ্রামীণ পাঞ্জাবে প্রভাব বাড়াতে হলে এই অমৃতপালের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement