‘হিন্দু ধর্ম বিপন্ন’, মহারাষ্ট্রে Ganesh উৎসবে কড়া COVID বিধিনিষেধে ক্ষুব্ধ BJP

07:49 PM Aug 08, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু ধর্ম বিপন্ন! মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) গণেশ উৎসবের (Ganpati festival) জন্য কড়া কোভিড বিধি (COVID guidline) জারি করেছে উদ্ধব ঠাকরে সরকার। আর সেই কড়াকড়ির বিরোধিতা করার সময় এভাবেই ক্ষোভ উগরে দিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের বিধায়ক নীতেশ রানে রবিবার দাবি করলেন, এই ধরনের বিধিনিষেধের ফলে উৎসব পালনটাই কঠিন হয়ে গেল। সেই সঙ্গে অন্য ধর্মের উৎসবের ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ থাকে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Advertisement

ঠিক কী জানিয়েছেন নীতেশ? তাঁর কথায়, ”গণেশ উৎসব মণ্ডলের পক্ষে নয়া বিধি মেনে যথাযথ ভাবে উৎসব পালন করা কঠিন। আমরা রাজ্যপালকে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।” সেই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ”কিছুদিন আগে অন্য ধর্মের উৎসবের ক্ষেত্রে কিন্তু ওদের কোনও অসুবিধা হয়নি। তাহলে কেবল হিন্দুদের ক্ষেত্রেই সমস্যা? হিন্দু ধর্ম বিপন্ন। আমরা রাজ্যপালের কাছে আরজি জানিয়েছি আমাদের উৎসবকে রক্ষা করার জন্য। নাহলে ঠাকরে সরকার ধীরে ধীরে উৎসবটাই তুলে দেবে।”

[আরও পড়ুন: সাধারণতন্ত্র দিবসের কৃষক বিক্ষোভ থেকে শিক্ষা, ১৫ আগস্টের আগে ঘেরা হচ্ছে Red Fort]

প্রসঙ্গত, এদিন মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলে আনেন পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর কথাও। মনে করিয়ে দেন বাংলাতেও পুজোর জন্য কড়া কোভিড বিধি জারি করা হয়েছে। যদিও বাংলার ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ কেন্দ্রের তরফেই আরোপ করা হয়েছে।
গত জুন মাসেই মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জারি করা হয় গণপতি উৎসবের গাইডলাইন।

Advertising
Advertising

জানিয়ে দেওয়া হয়, বারোয়ারি পুজোর ক্ষেত্রে ৪ ফুট ও বাড়ির পুজোয় ২ ফুটের বেশি উচ্চতার মূর্তি পুজো করা যাবে না। বিগ্রহ হতে হবে ধাতু কিংবা মার্বেলের তৈরি। প্যান্ডেলে সীমিত সংখ্যক মানুষই প্রবেশ করতে পারবেন। পুজো চলাকালীন ভজন-কীর্তনের পরিবর্তে রক্তদান শিবির ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এই ধরনের নানা পরিবর্তন করা হয়েছে। আরোপ করা হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। আর এই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধেই গর্জে উঠেছে বিজেপি। এখন দেখার, বিজেপির আরজি শোনার পরে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপালের তরফে নয়া গাইডলাইন নিয়ে কোনও বিবৃতি পেশ করা হয় কিনা।

[আরও পড়ুন: অমানবিক! মাদকের নেশায় নিজের একরত্তি সন্তানকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করল বাবা]

Advertisement
Next