বর্ষবরণের দিনেই সুখবর কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের! চলতি বছরের শুরু থেকেই কেন্দ্রের অষ্টম পে কমিশন কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে এখনও তা হয়নি। সূত্রের খবর, এবার সেই জট কাটতে চলেছে। ইতিমধ্যেই শ্রমিক সংগঠনগুলির তরফ থেকে পে কমিশন নিয়ে চূড়ান্ত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, মূল বেতন অন্তত ৬৯ হাজার টাকা করতে হবে।
সরকারী কর্মচারীদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, বেসিক পে অর্থাৎ মূল বেতন বাড়িয়ে ৬৯ হাজার করতে হবে। বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির হারও বাড়িয়ে ৬ শতাংশ করতে। বেতন কমিশনের অন্যতম প্রধান মাপকাঠি অর্থাৎ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে ৩.৮৩। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে বেতন যেন সমানুপাতিক হারে বাড়ে, সেকথা মাথায় রেখেই এই সুপারিশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলি। তবে অষ্টম পে কমিশনের এই সুপারিশ কেন্দ্র কার্যকর করবে কিনা, সুপারিশের কতখানি গৃহীত হবে, আপাতত সেদিকে তাকিয়ে কর্মচারীরা।
দেশের প্রায় ৫০.১৪ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও ৬৯ লাখ পেনশনভোগী তাকিয়ে রয়েছেন অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা নিয়ে কেন্দ্রীয় ঘোষণার দিকে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল অষ্টম বেতন কমিশন। মনে করা হচ্ছিল, এর ফলে ৫০ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী বেসিক অ্য়ালাওন্সেস, পেনশন ও অন্য়ান্য সুযোগ সুবিধা সবেতেই লাভবান হবেন। গতবছরের শেষদিকে শোনা গিয়েছিল, ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ ২.৫৭ থেকে বাড়িয়ে ২.৮৬ হতে পারে। অর্থাৎ কারও বেসিক বেতন যদি ১৮ হাজার টাকা থাকে, তাঁর বেসিক বেতন বেড়ে হবে ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা।
তবে শ্রমিক সংগঠনের দাবি অনেকটাই বেশি। তাঁরা ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩.৮৩ চাইছেন, অর্থাৎ কারও বেসিক বেতন যদি ১৮ হাজার টাকা থাকে, তাঁর বেসিক বেতন বেড়ে হবে ৬৯ হাজার। পাশাপাশি, চূড়ান্ত স্মারকলিপি জমা পড়লেও কেন্দ্র কবে থেকে নতুন বেতন কমিশন কার্যকর করবে তা এখনও জানা যায়নি। গত ৩ নভেম্বর অষ্টম বেতন কমিশন তাদের টার্ম অব রেফারেন্স জানিয়ে দিলেও কবে থেকে তা বাস্তবায়িত হবে, এখনও তা চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছে মোদি সরকার।
