shono
Advertisement
Narendra Modi Xi Jinping Meet

গালওয়ানের পরে প্রথমবার ভারত সফরে জিনপিং! 'হাতি-ড্রাগনের ট্যাঙ্গো'য় নতুন সমীকরণ?

Chinese President Visit India: জিনপিং শেষবার ভারতে এসেছিলেন ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 01:59 PM Jul 31, 2026Updated: 03:32 PM Jul 31, 2026

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। আগামী সেপ্টেম্বরই ওই সম্মেলন হওয়ার কথা নয়াদিল্লিতে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, মোদির (Narendra Modi) আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জিনপিং ওই সময় আসতে পারেন ভারতে। তিনি শেষবার ভারতে এসেছিলেন ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে। সেই হিসেবে, গালওয়ানের পরে এটাই হতে চলেছে তাঁর প্রথম ভারত সফর।

Advertisement

১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারতের সভাপতিত্বে ‘ব্রিকস’ গোষ্ঠীর শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে চলেছে। গত বছরই এই সম্মেলনে যোগ দিতে জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদি। ২৫তম এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে শামিল হয়েছিলেন  তাঁরা। সেই ঠকে উভয় রাষ্ট্রপ্রধানই ভারত-চিনের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরপরই এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই সংক্রান্ত এক প্রেস বিবৃতি প্রকাশ্যে আনা হয়। বলা হয়, ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পালটা মোদিকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের সভাপতিত্বকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন জিনপিং। এবার শোনা যাচ্ছে, সেই প্রতিশ্রুতিমতোই এবার নয়াদিল্লিতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট। এদিকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। আগেই ক্রেমলিনের পক্ষে একথা জানানো হয়েছে। 

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং একটি বহুত্ববাদী বিশ্বব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উপর আলোকপাত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আলাদা করে নজর কাড়ছে ভারত-রাশিয়া-চিনের সহাবস্থান। মনে রাখতে হবে, এর মধ্যে দুই দেশ তেলের ক্রেতা। অন্য দেশটি বিক্রেতা। মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়ার থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখতে চায় ভারত ও চিন। পাশাপাশি ইরানের থেকেও তেল কিনে নিজেদের 'তেলখেকো অর্থনীতি'কে পুষ্ট করতে চায় দুই প্রতিবেশী দেশ।

এছাড়াও ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিকেও নজর রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের। মোদি দীর্ঘ সাত বছর পর ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিন সফর করেন। বৈঠকের পর জিনপিংয়ের বার্তা ছিল, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে ভারত ও চিনের বন্ধুত্ব একান্ত জরুরি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক দাদাগিরির মাঝেই জিনপিংয়ের এই হাতি-ড্রাগনের বন্ধুত্বের বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেছিল কূটনৈতিক মহল। এবার জিনপিংয়ের ভারত সফর সেই 'বন্ধুত্ব'কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement