ফেসবুকে পরিচয়। ‘তান্ত্রিক’ সেজে মহিলার দাম্পত্য সমস্যা মেটানো, স্বাস্থ্যের উন্নতি ও অমঙ্গল দূর করার টোপ। সেই ফাঁদে পা দিয়ে এক মহিলার কাছ থেকে ধাপে ধাপে ৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৪৫ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। শুধু টাকা নেওয়াই নয়, টাকা দেওয়া বন্ধ করলে প্রাণহানি ও গুরুতর অমঙ্গলের ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। শেষপর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই মহিলা। ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগকারিণী ফেসবুকে ওই তান্ত্রিকের প্রোফাইল দেখতে পান। ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানের আশায় প্রোফাইলে দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেন তিনি। অভিযোগ, এরপরই ওই ব্যক্তি তন্ত্রসাধনা ও বিশেষ পুজোর মাধ্যমে তাঁর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি, স্বাস্থ্য ভালো হওয়া এবং ভবিষ্যতের বিপদ কাটানোর প্রতিশ্রুতি দেন। প্রথমে ৮ হাজার ৭৫০ টাকা ও মহিলার ছবি, জন্মতারিখ চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পর একের পর এক পুজো ও তান্ত্রিক ক্রিয়ার অজুহাতে আরও টাকা দাবি করতে থাকেন অভিযুক্ত। এতে মহিলার সন্দেহ হয়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করতেই শুরু হয় ভয় দেখানো।
অভিযোগ, কাউকে বিষয়টি জানালে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ভয় ও মানসিক চাপে পড়ে একাধিক ইউপিআই এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কয়েক দফায় মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৩৪৫ টাকা পাঠিয়ে দেন ওই মহিলা। কিন্তু তার পরও চলতে থাকে হুমকি। শেষপর্যন্ত ওয়াটগঞ্জ থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তের মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই আইডি ও ফেসবুক প্রোফাইলের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
