shono
Advertisement
Rahul Gandhi

সরকারের সঙ্গে সমঝোতা! পড়ুয়াদের ইস্যুতে পথে নামতেই রাহুলকে নিশানা আপ-অখিলেশের

আপ অভিযোগ করছে, এই আন্দোলনকে দুর্বল করতে হাত ধরাধরি করে চলেছে কংগ্রেস ও বিজেপি। আন্দোলনের কৃতিত্ব নিতে দড়ি টানাটানি ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেই।
Published By: Subhajit MandalPosted: 04:04 PM Jul 22, 2026Updated: 05:13 PM Jul 22, 2026

এতদিন ককরোচ জনতা পার্টি-সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে কার্যত নীরব ছিলেন রাহুল গান্ধী। একই ইস্যুতে পৃথক কর্মসূচি করলেও আরশোলার ছোঁয়াচ এড়িয়ে চলছিল কংগ্রেস। কিন্তু সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আচমকা পথে নেমে পড়েন রাহুল। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে গিয়ে ধরনা শুরু করে দেন। বস্তুত গোটা আন্দোলনের ফোকাস সরে যায় রাহুলের দিকে। আর তাতেই আপত্তি ইন্ডিয়া জোটের অন্য শরিকদের। আপ থেকে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেসকেই নিশানা শুরু করেছেন জোট শরিকরা।

Advertisement

নিট ইস্যুতে রাহুলের এন্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি আপত্তি আম আদমি পার্টির। আপ নেতা সঞ্জয় সিং সোশাল মিডিয়ায় বলে দিচ্ছেন, "সিজেপির (CJP) একমাসের আন্দোলনকে দুর্বল করতেই মোদি রাহুল গান্ধীকে বসিয়ে বিক্ষোভ করিয়েছেন।” দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী আবার আরও এক কাঠি এগিয়ে গেলেন। তিনি বলে গেলেন, "ককরোচ জনতা পার্টি এতদিন আন্দোলন করল সরকার কোনও সাড়া দিল না। আর রাহুল গান্ধীর এক ঘণ্টার আন্দোলনের মধ্যেই সরকার আলোচনায় রাজি হয়ে গেল।" অতিশীর আর দাবি, "ককরোচের আন্দোলনকারীদের ১০০ মিটার এগোতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি পর্যন্ত চলে যেতে দেওয়া হল। এটা কংগ্রেস-বিজেপির যুগলবন্দি।"

সঞ্জয় সিংয়ের পোস্টে কীর্তি আজাদের জবাব।

আপ সরাসরি বলে দিচ্ছে, এই আন্দোলনকে দুর্বল করতে হাত ধরাধরি করে চলেছে কংগ্রেস ও বিজেপি। কিন্তু রাহুলের উপর আপের ক্ষোভ বা অভিযোগের বিস্ফোরণ অন্য বিরোধীদের ক্ষেপিয়ে তুলছে। তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ আপের সঞ্জয় সিংকেই নিশানা করে বলছেন, "এটা আপনার কাছে প্রত্যাশিত ছিল না। এই দাম দিলেন আপনি আমাদের বন্ধুত্বের?" সোশাল মিডিয়ায় একাধিক সেলেব, ইনফ্লুয়েন্সার আপ নেতৃত্বকেই তুলোধোনা করেছে।

এ তো গেল আপ। খানিকটা এক সুর শোনা গেল সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের মুখেও। আসলে রাহুলের আন্দোলনের একদিন পরই সংসদে নিট ইস্যুতে আলোচনায় রাজি হয়েছে সরকার। তাতে কংগ্রেসের বক্তাদের বলারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাতেই ক্ষুব্ধ অখিলেশ। তিনি সংসদে দাঁড়িয়েই স্পিকারের উদ্দেশে বলছেন, "আপনি বিজেপিকে বলার অনুমতি দিচ্ছেন। কংগ্রেসকেও অনুমতি দিচ্ছেন। আমরা কী বাণের জলে ভেসে এসেছি? কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে কি কোনওরকম বোঝাপড়া চলছে?" বস্তুত পড়ুয়াদের এই আন্দোলনের কৃতিত্ব নিতে মরিয়া সব বিরোধী দলই। আপাতত রাহুল গান্ধী খানিকটা এগিয়ে যাওয়ায় আপ সম্ভবত ক্ষুব্ধ। সেকারণেই তিনি নিশানা করছেন কংগ্রেসকে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement