শনিবার দুপুরে তৃতীয় দফার বৈঠকে বসছে কেন্দ্র ও ককরোচ জনতা পার্টি। যে বৈঠকের দিতে তাকিয়ে দেশ। কিন্তু সেই বৈঠকের আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল 'আরশোলা'রা। জানিয়ে দিল, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার প্রস্তাব একেবারেই অপরিবর্তনীয়। যদি তিনি ইস্তফা না দেন, তাহলে কেন্দ্রের সঙ্গে এরপর আর বৈঠকের কোনও অর্থ হয় না। এদিকে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর দাবি, আদৌ ধর্মেন্দ্রর ইস্তফা নিয়ে ভাবছে না বিজেপি।
সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিয়ে কোনো আপস বা আলোচনা চলবে না। সরকার যদি এতে অসম্মতি জানায়, তবে আর কোনও আলোচনার অবকাশ নেই।' যা থেকে স্পষ্ট, আপাতত এটাই তাদের মূল দাবি। আর সেই দাবিকে না মানা হলে আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই মনস্থ করছে সিজেপি।
উল্লেখ্য, গতকাল, শুক্রবার দুপুরে জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং বৈঠকে বসেন 'ককরোচ'-এর সঙ্গে। সেটা ছিল দ্বিতীয় বৈঠক। কিন্তু তাতেও মেলেনি রফাসূত্র। শনিবার তৃতীয় বৈঠক হওয়ার কথা দুপুরে। তার আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিল সিজেপি।
এদিকে এদিন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে আদৌ ভাবছে না বিজেপি। বরং 'সুকৌশলে' তাঁকে অন্য মন্ত্রকে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। এমনটাই মনে করছেন কংগ্রেস নেতা।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শুক্রবারই আলোচনার টেবিলে ককরোচ জনতা পার্টি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা। দিল্লির ভিপি হাউসে প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের বৈঠকে অচলাবস্থা কাটার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়ে দেন ‘ককরোচ’রা। কিন্তু ২ ঘণ্টার বৈঠকেও শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা দেয়নি সরকারপক্ষ। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের দাবি ছিল, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও একদিন সময় চেয়েছে কেন্দ্র। এখন দেখার শনিবারের বৈঠকে কোনও সমাধান মেলে কিনা।
